জরায়ুমুখ ক্যান্সার সম্পর্কিত বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ নার্সদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজধানীর মিরপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টায় মিরপুর-১৪ নম্বরে অবস্থিত মার্কস নার্সিং কলেজের হলরুমে ‘জরায়ুমুখ ক্যান্সার সচেতনতা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি–২০২৬’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মার্কস নার্সিং কলেজ এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের নেপথ্য কারণ, ঝুঁকির ক্ষেত্রসমূহ, আগাম শনাক্তকরণ ও আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে সবিস্তার আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে মার্কস নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোছা. নাসিমা পারভীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার বর্তমানে একটি বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক সময়ে এইচপিভি (HPV) টিকা গ্রহণ, নিয়মিত স্ক্রিনিং ও দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পারলে এর ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব। নার্সিং পেশাজীবীরা কেবল হাসপাতালে রোগীর সেবাই দেন না, তারা সমাজে সচেতনতা তৈরিতেও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাই এই বিষয়ে সম্যক জ্ঞান অর্জন করা নার্সিং শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতার জন্য অপরিহার্য।
কর্মসূচিতে কলেজের কোর্স কো-অর্ডিনেটর নয়ন হালদার জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক সংকোচ ও ভীতি কাটিয়ে নারীরা যাতে সঠিক সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারেন, সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০৩০ সালের মধ্যে এই রোগ নির্মূলে ‘৯০–৭০–৯০’ কৌশল নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে ৯০ শতাংশ কিশোরীকে এইচপিভি টিকাদানের আওতায় আনা, ৩৫ ও ৪৫ বছর বয়সে ৭০ শতাংশ নারীর স্ক্রিনিং সম্পাদন করা এবং আক্রান্ত নারীদের ৯০ শতাংশের উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার টার্গেট রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে অতিরিক্ত রক্তপাত বা অস্বাভাবিক যোনিপথের স্রাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। উপসর্গ না থাকলেও নির্দিষ্ট বয়স পর নিয়মিত স্ক্রিনিং করানোর তাগিদ দেন তারা। মার্কস নার্সিং কলেজের এ ধরনের শিক্ষামূলক উদ্যোগ নার্সদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জরায়ুমুখ ক্যান্সার সম্পর্কিত বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ নার্সদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে রাজধানীর মিরপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টায় মিরপুর-১৪ নম্বরে অবস্থিত মার্কস নার্সিং কলেজের হলরুমে ‘জরায়ুমুখ ক্যান্সার সচেতনতা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি–২০২৬’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মার্কস নার্সিং কলেজ এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের নেপথ্য কারণ, ঝুঁকির ক্ষেত্রসমূহ, আগাম শনাক্তকরণ ও আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে সবিস্তার আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে মার্কস নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোছা. নাসিমা পারভীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি উল্লেখ করেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার বর্তমানে একটি বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক সময়ে এইচপিভি (HPV) টিকা গ্রহণ, নিয়মিত স্ক্রিনিং ও দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পারলে এর ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব। নার্সিং পেশাজীবীরা কেবল হাসপাতালে রোগীর সেবাই দেন না, তারা সমাজে সচেতনতা তৈরিতেও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাই এই বিষয়ে সম্যক জ্ঞান অর্জন করা নার্সিং শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতার জন্য অপরিহার্য।
কর্মসূচিতে কলেজের কোর্স কো-অর্ডিনেটর নয়ন হালদার জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সামাজিক সংকোচ ও ভীতি কাটিয়ে নারীরা যাতে সঠিক সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারেন, সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০৩০ সালের মধ্যে এই রোগ নির্মূলে ‘৯০–৭০–৯০’ কৌশল নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে ৯০ শতাংশ কিশোরীকে এইচপিভি টিকাদানের আওতায় আনা, ৩৫ ও ৪৫ বছর বয়সে ৭০ শতাংশ নারীর স্ক্রিনিং সম্পাদন করা এবং আক্রান্ত নারীদের ৯০ শতাংশের উপযুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করার টার্গেট রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে অতিরিক্ত রক্তপাত বা অস্বাভাবিক যোনিপথের স্রাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। উপসর্গ না থাকলেও নির্দিষ্ট বয়স পর নিয়মিত স্ক্রিনিং করানোর তাগিদ দেন তারা। মার্কস নার্সিং কলেজের এ ধরনের শিক্ষামূলক উদ্যোগ নার্সদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।

আপনার মতামত লিখুন