ডারউইনে ইতিহাস গড়া সেই দুর্দান্ত জয়ের স্মৃতি দুই দিনেই ফিকে হয়ে গেল। প্রথম ইনিংসের ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় ইনিংসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলীয় পেসারদের তোপের মুখে টানা দুই ইনিংসে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বাজে ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে সফরকারীরা মাঠ ছাড়ল বড় হারের লজ্জা নিয়ে।
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ২১০ রানের জবাবে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেছে মাত্র ৯৫ রানে। দুই ইনিংস মিলিয়েও অজিদের ওই মাঝারি মানের স্কোর টপকাতে পারেনি টাইগাররা। ফলে দুই ম্যাচের ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো।
অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টে দেখা গেছে বাংলাদেশের ঠিক দুই বিপরীতমুখী রূপ। ডারউইনে প্রথম টেস্টে টানা সাড়ে তিন দিন আধিপত্য বিস্তার করে ৯ উইকেটের দুর্দান্ত জয় পেয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু ম্যাকাইয়ে এসে একেবারেই উল্টে গেল দৃশ্যপট। বোলাররা সম্ভাবনা জাগালেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় দুই দিনের মধ্যেই আত্মসমর্পণ করতে হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার এই দাপুটে জয়ের মূল কারিগর বাঁহাতি স্পিডস্টার মিচেল স্টার্ক। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪টি উইকেট শিকার করে ব্যাটারদের ওপর তাণ্ডব চালান তিনি। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও দুই ইনিংসে ৩টি করে মোট ৬টি উইকেট পকেটে পুরেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন অধিনায়ক শান্ত। দুই ইনিংস মিলে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এর আগে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৪ রান এসেছিল বোলার শরীফুল ইসলামের ব্যাট থেকে।
দল হারলেও এই টেস্টে বল হাতে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ পেসার শরীফুল ইসলাম। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৪৮ রান খরচায় ৭টি মূল্যবান উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বোলিং তোপেই অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে আটকে রাখা সম্ভব হয়েছিল। তবে ব্যাটাররা ন্যূনতম লড়াইটুকুও করতে না পারায় শরীফুলের এই কীর্তি একাকাই ঢাকা পড়ে গেল হারের হতাশায়।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ডারউইনে ইতিহাস গড়া সেই দুর্দান্ত জয়ের স্মৃতি দুই দিনেই ফিকে হয়ে গেল। প্রথম ইনিংসের ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় ইনিংসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলীয় পেসারদের তোপের মুখে টানা দুই ইনিংসে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বাজে ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে সফরকারীরা মাঠ ছাড়ল বড় হারের লজ্জা নিয়ে।
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৫১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ২১০ রানের জবাবে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেছে মাত্র ৯৫ রানে। দুই ইনিংস মিলিয়েও অজিদের ওই মাঝারি মানের স্কোর টপকাতে পারেনি টাইগাররা। ফলে দুই ম্যাচের ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো।
অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টে দেখা গেছে বাংলাদেশের ঠিক দুই বিপরীতমুখী রূপ। ডারউইনে প্রথম টেস্টে টানা সাড়ে তিন দিন আধিপত্য বিস্তার করে ৯ উইকেটের দুর্দান্ত জয় পেয়েছিল সফরকারীরা। কিন্তু ম্যাকাইয়ে এসে একেবারেই উল্টে গেল দৃশ্যপট। বোলাররা সম্ভাবনা জাগালেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় দুই দিনের মধ্যেই আত্মসমর্পণ করতে হলো লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার এই দাপুটে জয়ের মূল কারিগর বাঁহাতি স্পিডস্টার মিচেল স্টার্ক। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪টি উইকেট শিকার করে ব্যাটারদের ওপর তাণ্ডব চালান তিনি। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও দুই ইনিংসে ৩টি করে মোট ৬টি উইকেট পকেটে পুরেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন অধিনায়ক শান্ত। দুই ইনিংস মিলে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এর আগে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৪ রান এসেছিল বোলার শরীফুল ইসলামের ব্যাট থেকে।
দল হারলেও এই টেস্টে বল হাতে দারুণ উজ্জ্বল ছিলেন তরুণ পেসার শরীফুল ইসলাম। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৪৮ রান খরচায় ৭টি মূল্যবান উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বোলিং তোপেই অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে আটকে রাখা সম্ভব হয়েছিল। তবে ব্যাটাররা ন্যূনতম লড়াইটুকুও করতে না পারায় শরীফুলের এই কীর্তি একাকাই ঢাকা পড়ে গেল হারের হতাশায়।

আপনার মতামত লিখুন