এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল মালয়েশিয়া। আগামী পরশু জাপানের নিশিনে অবস্থিত কোরোগি স্পোর্টস ক্লাবে শেষ আটের মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামবে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং ও শক্তিমত্তার দিক থেকে প্রতিপক্ষের চেয়ে বেশ এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বের ম্যাচ বলে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখাতে নারাজ টাইগারদের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে অষ্টম, সেখানে মালয়েশিয়া অবস্থান করছে ২৫ নম্বরে। দুই দেশের ক্রিকেট ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার মধ্যেও রয়েছে বিস্তর ফারাক। তবুও জাপানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোচ সালাহ উদ্দীন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, নকআউট পর্বের খেলায় সবসময়ই বাড়তি মানসিক চাপ থাকে। যেকোনো প্রতিপক্ষকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। একটু অসাবধান হলেই টুর্নামেন্টের দৌড় থেকে ছিটকে পড়তে হতে পারে।
দুই দলের অতীতের স্মৃতিও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ২০২৩ সালে চীনের হাংঝুতে এশিয়ান গেমসের শেষ আটের দেখায় সাইফ হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলকে মাত্র ২ রানের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। সেই কঠিন স্মৃতি মাথায় রেখে কোচ যোগ করেন, আমাদের ম্যাচটি জিতেই পরের ধাপে যেতে হবে। মানসিক প্রস্তুতি সেভাবেই নেওয়া হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে আমাদের পুরো মনোযোগ কেবল এই একটি ম্যাচকে কেন্দ্র করেই।
মালয়েশিয়া দলের বর্তমান প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোর। তা ছাড়া একই পিচে একের পর এক ম্যাচ খেলা হওয়ায় কম রানের ম্যাচেও রোমাঞ্চ ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন কোচ। তিনি বলেন, একই উইকেটে টানা খেলা চলায় যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে। তাই টসও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে মালয়েশিয়ার শক্তিমত্তা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা আছে।
পরশু বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু হবে এই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি। এই বাধা পার হতে পারলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে পারে শক্তিশালী পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল মালয়েশিয়া। আগামী পরশু জাপানের নিশিনে অবস্থিত কোরোগি স্পোর্টস ক্লাবে শেষ আটের মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামবে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং ও শক্তিমত্তার দিক থেকে প্রতিপক্ষের চেয়ে বেশ এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বের ম্যাচ বলে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখাতে নারাজ টাইগারদের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণের আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে অষ্টম, সেখানে মালয়েশিয়া অবস্থান করছে ২৫ নম্বরে। দুই দেশের ক্রিকেট ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার মধ্যেও রয়েছে বিস্তর ফারাক। তবুও জাপানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোচ সালাহ উদ্দীন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে বলেন, নকআউট পর্বের খেলায় সবসময়ই বাড়তি মানসিক চাপ থাকে। যেকোনো প্রতিপক্ষকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। একটু অসাবধান হলেই টুর্নামেন্টের দৌড় থেকে ছিটকে পড়তে হতে পারে।
দুই দলের অতীতের স্মৃতিও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ২০২৩ সালে চীনের হাংঝুতে এশিয়ান গেমসের শেষ আটের দেখায় সাইফ হাসানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলকে মাত্র ২ রানের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। সেই কঠিন স্মৃতি মাথায় রেখে কোচ যোগ করেন, আমাদের ম্যাচটি জিতেই পরের ধাপে যেতে হবে। মানসিক প্রস্তুতি সেভাবেই নেওয়া হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে আমাদের পুরো মনোযোগ কেবল এই একটি ম্যাচকে কেন্দ্র করেই।
মালয়েশিয়া দলের বর্তমান প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোর। তা ছাড়া একই পিচে একের পর এক ম্যাচ খেলা হওয়ায় কম রানের ম্যাচেও রোমাঞ্চ ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন কোচ। তিনি বলেন, একই উইকেটে টানা খেলা চলায় যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে। তাই টসও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে মালয়েশিয়ার শক্তিমত্তা ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে আমার ভালো ধারণা আছে।
পরশু বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু হবে এই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি। এই বাধা পার হতে পারলে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে পারে শক্তিশালী পাকিস্তান।

আপনার মতামত লিখুন