অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপ হকিতে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
চীনের মকি শহরে আয়োজিত এই ম্যাচে বাঁশি বাজার প্রথম মিনিট থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণাত্মক কৌশলে প্রতিপক্ষকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা করে রাখে বাংলাদেশ দল। একের পর এক ঝোড়ো আক্রমণে তাইপের রক্ষণভাগ তছনছ করে ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারেই লিড আদায় করে নেয় লাল-সবুজের মেয়েরা। দলের হয়ে প্রথম উদযাপনের সূচনা করেন তরুণ ফরোয়ার্ড কনা আক্তার।
প্রথম গোলের পর আক্রমণের তোড় আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে দলের ব্যবধান বড় করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেন ইমা এবং আইরিন আক্তার রিয়া। এই দুই তারকার গতিময় ড্রিবলিং ও দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে দুজনের ব্যাট থেকেই আসে দুটি করে মোট ৪টি গোল। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় চলে যায়, যেখানে প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে প্রতিআক্রমণে ওঠার কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।
খেলার শেষ কোয়ার্টারে এসে প্রতিপক্ষের ওপর চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশ। এ সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। একের পর এক বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে নিজে পর পর দুটি চমৎকার গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। অধিনায়কের এই জোড়া আঘাতের পর চাইনিজ তাইপের ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ আশাটুকুও বিলীন হয়ে যায়।
পুরো ম্যাচজুড়ে কনা আক্তারের ১টি, ইমা ও রিয়ার দুটি করে এবং অধিনায়ক সারিকা রিমনের ২ গোলের ওপর ভর করে ৭-০ ব্যবধানের এক বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন আইরিন আক্তার রিয়া।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপ হকিতে দুর্দান্ত জয় দিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিল বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচেই প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
চীনের মকি শহরে আয়োজিত এই ম্যাচে বাঁশি বাজার প্রথম মিনিট থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণাত্মক কৌশলে প্রতিপক্ষকে সম্পূর্ণ কোণঠাসা করে রাখে বাংলাদেশ দল। একের পর এক ঝোড়ো আক্রমণে তাইপের রক্ষণভাগ তছনছ করে ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারেই লিড আদায় করে নেয় লাল-সবুজের মেয়েরা। দলের হয়ে প্রথম উদযাপনের সূচনা করেন তরুণ ফরোয়ার্ড কনা আক্তার।
প্রথম গোলের পর আক্রমণের তোড় আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে দলের ব্যবধান বড় করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেন ইমা এবং আইরিন আক্তার রিয়া। এই দুই তারকার গতিময় ড্রিবলিং ও দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে দুজনের ব্যাট থেকেই আসে দুটি করে মোট ৪টি গোল। ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশের হাতের মুঠোয় চলে যায়, যেখানে প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে প্রতিআক্রমণে ওঠার কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।
খেলার শেষ কোয়ার্টারে এসে প্রতিপক্ষের ওপর চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশ। এ সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। একের পর এক বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে নিজে পর পর দুটি চমৎকার গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। অধিনায়কের এই জোড়া আঘাতের পর চাইনিজ তাইপের ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ আশাটুকুও বিলীন হয়ে যায়।
পুরো ম্যাচজুড়ে কনা আক্তারের ১টি, ইমা ও রিয়ার দুটি করে এবং অধিনায়ক সারিকা রিমনের ২ গোলের ওপর ভর করে ৭-০ ব্যবধানের এক বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন আইরিন আক্তার রিয়া।

আপনার মতামত লিখুন