গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একই রাতে একযোগে পাঁচটি বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চোরচক্র ঘরের প্রধান দরজা, গেট ও জানালার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও পরিধেয় বস্ত্রসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) ভোররাতে উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামে এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতের দিকে একদল চোর চক্রবদ্ধ হয়ে দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ইমরান শেখ, ইব্রাহিম শেখ, লালন ফকির, মিরাজ ফকির ও জাফর মুন্সির বসতবাড়িতে একযোগে হানা দেয়। এ সময় গৃহকর্তা ও পরিবারের সদস্যরা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকার সুযোগে চোরেরা কৌশলে ঘরের পাকা গেট, দরজার সিটকিনি এবং জানালার গ্রিল কেটে ও ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ঘরে থাকা ট্রাঙ্ক ও আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা, ব্যবহৃত স্বর্ণের গহনা, স্মার্টফোন এবং কাপড়চোপড়সহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে সটকে পড়ে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো ও গ্রিল ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। একই রাতে গ্রামের পাঁচটি বাড়িতে পরপর এমন দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় পুরো দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে স্থানীয় থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চোরচক্রের সদস্যদের সনাক্ত ও লুটের মাল উদ্ধারে পুলিশ অভিযান জোরদার করেছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একই রাতে একযোগে পাঁচটি বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চোরচক্র ঘরের প্রধান দরজা, গেট ও জানালার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও পরিধেয় বস্ত্রসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) ভোররাতে উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামে এই দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতের দিকে একদল চোর চক্রবদ্ধ হয়ে দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ইমরান শেখ, ইব্রাহিম শেখ, লালন ফকির, মিরাজ ফকির ও জাফর মুন্সির বসতবাড়িতে একযোগে হানা দেয়। এ সময় গৃহকর্তা ও পরিবারের সদস্যরা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকার সুযোগে চোরেরা কৌশলে ঘরের পাকা গেট, দরজার সিটকিনি এবং জানালার গ্রিল কেটে ও ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা ঘরে থাকা ট্রাঙ্ক ও আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা, ব্যবহৃত স্বর্ণের গহনা, স্মার্টফোন এবং কাপড়চোপড়সহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে সটকে পড়ে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো ও গ্রিল ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। একই রাতে গ্রামের পাঁচটি বাড়িতে পরপর এমন দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় পুরো দুয়ারীডাঙ্গা গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে স্থানীয় থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চোরচক্রের সদস্যদের সনাক্ত ও লুটের মাল উদ্ধারে পুলিশ অভিযান জোরদার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন