মালদ্বীপের মাটিতে ইতিহাস গড়ে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব জয় করে দেশে ফেরা অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের ঘিরে গতকাল রাতে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছিল রাজধানী। হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটার যেন হয়ে উঠেছিল আবেগ, উচ্ছ্বাস আর লাল-সবুজের গর্বের এক মিলনমেলা। ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণ শেষে ট্রফি হাতে মঞ্চে আসা চ্যাম্পিয়নদের বরণ করে নিতে উপস্থিত ছিলেন হাজারো ফুটবল অনুরাগী।
আলোকোজ্জ্বল মঞ্চে মাইক্রোফোন হাতে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী তাঁর স্বভাবসুলভ সহজ ভঙ্গিতে সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, সবাই খুশি তো? এই ট্রফির পেছনে অনেক ঘাম আর শ্রম আছে। এটা শুধু আপনাদের জন্য। অধিনায়কের এই কথায় করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো অ্যাম্ফিথিয়েটার।
হেড কোচ মার্ক কক্সের কণ্ঠে ছিল শিষ্যদের নিয়ে আকাশছোঁয়া গর্ব। তিনি বলেন, ছেলেরা বাংলাদেশের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে। আমরা কথা দিয়েছিলাম ১৯৭১-এর চেতনা ফিরিয়ে আনব, আমরা তা পেরেছি। কোচ আরও এক ধাপ এগিয়ে স্বপ্ন দেখালেন বড় মঞ্চের। তাঁর মতে, এই ফুটবলাররাই ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল কোচের সুরেই বলেন, সাফ জয় আমাদের যাত্রার শুরু মাত্র। আমাদের গন্তব্য এখন ২০৩৪ বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টে টাইব্রেকারের স্নায়ুচাপ সামলে জয় নিশ্চিত করা রোনান সুলিভান তাঁর প্রতিক্রিয়ায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে করা সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে। তাঁর যমজ ভাই ডেকলান সুলিভান বাংলাদেশি সমর্থকদের প্রশংসা করে বলেন, অনলাইনে এবং মালদ্বীপে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকেরাই বিশ্বের সেরা।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রবাসী ও দেশি ফুটবলারদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় দল গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে বিজয়ীদের জন্য অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা এসেছে অনুষ্ঠান থেকে। বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী খেলোয়াড়দের জন্য ১ লাখ টাকা এবং কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা বোনাস ঘোষণা করেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (DNCC) প্রতিটি খেলোয়াড়কে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
মালদ্বীপের মাটিতে ইতিহাস গড়ে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব জয় করে দেশে ফেরা অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের ঘিরে গতকাল রাতে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছিল রাজধানী। হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটার যেন হয়ে উঠেছিল আবেগ, উচ্ছ্বাস আর লাল-সবুজের গর্বের এক মিলনমেলা। ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণ শেষে ট্রফি হাতে মঞ্চে আসা চ্যাম্পিয়নদের বরণ করে নিতে উপস্থিত ছিলেন হাজারো ফুটবল অনুরাগী।
আলোকোজ্জ্বল মঞ্চে মাইক্রোফোন হাতে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী তাঁর স্বভাবসুলভ সহজ ভঙ্গিতে সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, সবাই খুশি তো? এই ট্রফির পেছনে অনেক ঘাম আর শ্রম আছে। এটা শুধু আপনাদের জন্য। অধিনায়কের এই কথায় করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো অ্যাম্ফিথিয়েটার।
হেড কোচ মার্ক কক্সের কণ্ঠে ছিল শিষ্যদের নিয়ে আকাশছোঁয়া গর্ব। তিনি বলেন, ছেলেরা বাংলাদেশের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে। আমরা কথা দিয়েছিলাম ১৯৭১-এর চেতনা ফিরিয়ে আনব, আমরা তা পেরেছি। কোচ আরও এক ধাপ এগিয়ে স্বপ্ন দেখালেন বড় মঞ্চের। তাঁর মতে, এই ফুটবলাররাই ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল কোচের সুরেই বলেন, সাফ জয় আমাদের যাত্রার শুরু মাত্র। আমাদের গন্তব্য এখন ২০৩৪ বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টে টাইব্রেকারের স্নায়ুচাপ সামলে জয় নিশ্চিত করা রোনান সুলিভান তাঁর প্রতিক্রিয়ায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে করা সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে। তাঁর যমজ ভাই ডেকলান সুলিভান বাংলাদেশি সমর্থকদের প্রশংসা করে বলেন, অনলাইনে এবং মালদ্বীপে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকেরাই বিশ্বের সেরা।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রবাসী ও দেশি ফুটবলারদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় দল গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে বিজয়ীদের জন্য অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা এসেছে অনুষ্ঠান থেকে। বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী খেলোয়াড়দের জন্য ১ লাখ টাকা এবং কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা বোনাস ঘোষণা করেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (DNCC) প্রতিটি খেলোয়াড়কে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন