মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

সিন্ডিকেটের কবলে পহেলা বৈশাখ: সাধারণের পাতে অধরা ইলিশ।

সিন্ডিকেটের কারসাজি: নববর্ষে ইলিশ এখন বিলাসিতা!

সিন্ডিকেটের কারসাজি: নববর্ষে ইলিশ এখন বিলাসিতা!
বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ছবি : সংগৃহীত

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ—আর এই পার্বণের তালিকায় পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ সবার ওপরে। নববর্ষ বরণের ঐতিহ্যের সঙ্গে পান্তা-ইলিশের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকলেও, উৎসবের এই দিনটি এলেই যেন জাতীয় মাছ ইলিশের গায়ে আগুন লাগে। সিন্ডিকেটের কারসাজি আর অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফালোভী প্রবণতায় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশের দাম।

কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বৈশাখী চাহিদাকে পুঁজি করে ইলিশের দাম কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে এক কেজি ওজনের একটি ভালো মানের ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। এর চেয়ে বড় আকারের ইলিশের দামের কথা না হয় নাই বা বলা হলো—সেগুলো এখন সাধারণ মানুষের স্বপ্নের অতীত।

ব্যবসায়ীরা একে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়ত থেকেই তাদের চড়া দামে মাছ কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। বৈশাখ উপলক্ষে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী হিমাগারে রাখা মাছ বাজারে ছেড়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের মুনাফা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমের সীমাবদ্ধতা, যার ফলে বাজারে টাটকা ইলিশের সরবরাহও অপ্রতুল।


বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এক মধ্যবিত্ত ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বাঙালির উৎসব মানেই এখন কিছু ব্যবসায়ীর উৎসব। ইলিশের দাম এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জন্য পান্তা-ইলিশ খাওয়া এখন বিলাসিতা মাত্র। ক্রমবর্ধমান এই দামের কারণে অনেকেই ইলিশের বিকল্প হিসেবে রুই বা কাতল মাছ দিয়ে বৈশাখ উদযাপনের পরিকল্পনা করছেন।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের এই সংস্কৃতি এখন যতটা না ঐতিহ্যের, তার চেয়ে বেশি বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। কৃত্রিম এই সংকট মোকাবিলায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং পান্তা-ইলিশের পরিবর্তে অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিষয় : বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ ইলিশের দাম বাজার সিন্ডিকেট পান্তা-ইলিশ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সিন্ডিকেটের কারসাজি: নববর্ষে ইলিশ এখন বিলাসিতা!

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ—আর এই পার্বণের তালিকায় পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ সবার ওপরে। নববর্ষ বরণের ঐতিহ্যের সঙ্গে পান্তা-ইলিশের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকলেও, উৎসবের এই দিনটি এলেই যেন জাতীয় মাছ ইলিশের গায়ে আগুন লাগে। সিন্ডিকেটের কারসাজি আর অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফালোভী প্রবণতায় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশের দাম।

কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বৈশাখী চাহিদাকে পুঁজি করে ইলিশের দাম কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে এক কেজি ওজনের একটি ভালো মানের ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। এর চেয়ে বড় আকারের ইলিশের দামের কথা না হয় নাই বা বলা হলো—সেগুলো এখন সাধারণ মানুষের স্বপ্নের অতীত।

ব্যবসায়ীরা একে অন্যের ওপর দায় চাপাচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়ত থেকেই তাদের চড়া দামে মাছ কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। বৈশাখ উপলক্ষে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী হিমাগারে রাখা মাছ বাজারে ছেড়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের মুনাফা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাটকা সংরক্ষণ ও প্রজনন মৌসুমের সীমাবদ্ধতা, যার ফলে বাজারে টাটকা ইলিশের সরবরাহও অপ্রতুল।


বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। এক মধ্যবিত্ত ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বাঙালির উৎসব মানেই এখন কিছু ব্যবসায়ীর উৎসব। ইলিশের দাম এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের জন্য পান্তা-ইলিশ খাওয়া এখন বিলাসিতা মাত্র। ক্রমবর্ধমান এই দামের কারণে অনেকেই ইলিশের বিকল্প হিসেবে রুই বা কাতল মাছ দিয়ে বৈশাখ উদযাপনের পরিকল্পনা করছেন।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের এই সংস্কৃতি এখন যতটা না ঐতিহ্যের, তার চেয়ে বেশি বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। কৃত্রিম এই সংকট মোকাবিলায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং পান্তা-ইলিশের পরিবর্তে অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবারের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো