বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) জুরিবোর্ডের রায়ে ও ক্রীড়ামোদীদের ভালোবাসায় ২০২৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার) নির্বাচিত হয়েছেন তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী। একই সাথে বিচারকদের রায়ে বর্ষসেরা ফুটবলার এবং সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমীদের বিপুল ভোটে পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড—সব মিলিয়ে একাই তিনটি ট্রফি নিজের করে নিয়েছেন লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার।
গতকাল শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এর মঞ্চে এই চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে পেশাদার লিগের ব্যস্ততায় ইংল্যান্ডে অবস্থান করায় সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি হামজা।
এবারের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় হামজা চৌধুরীর সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাফজয়ী নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা এবং তারকা হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম। তবে মাঠের পারফরম্যান্স ও জনপ্রিয়তার বিচারে বাকি দুজনকে পেছনে ফেলে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেন হামজা।
পুরস্কার পাওয়ার পর ইংল্যান্ড থেকে পাঠানো এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় লেস্টার সিটির এই তারকা ফুটবলার বলেন, আমি এই সম্মানজনক পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত ও গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি পুরস্কার। সারা বছর ধরে আমাকে এবং আমাদের জাতীয় দলকে যেভাবে আপনারা সাপোর্ট দিয়েছেন, তার জন্য আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ ও কোটি ভক্তদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের স্মৃতিচারণ করে জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ফুটবলার বলেন, বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন, যা বহু বছর ধরে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করে আসছে। এক সময় আমি নিজে ফুটবলার হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আসতাম। আর আজ দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে এখানে এলাম, এটা আমার জন্য অন্যরকম এক অনুভূতি। এই ধরনের আয়োজন আমাদের পুরো ক্রীড়াঙ্গনের অর্জনকে আরও সমৃদ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে বিএসপিএ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান তারকা ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দেশের খেলাধুলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। হামজার এই জোড়া ট্রফি জয় দেশের ফুটবল উন্মাদনাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : হামজা চৌধুরী ফুটবল বাংলাদেশ ফুটবল দল

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) জুরিবোর্ডের রায়ে ও ক্রীড়ামোদীদের ভালোবাসায় ২০২৫ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার) নির্বাচিত হয়েছেন তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী। একই সাথে বিচারকদের রায়ে বর্ষসেরা ফুটবলার এবং সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমীদের বিপুল ভোটে পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড—সব মিলিয়ে একাই তিনটি ট্রফি নিজের করে নিয়েছেন লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার।
গতকাল শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এর মঞ্চে এই চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে পেশাদার লিগের ব্যস্ততায় ইংল্যান্ডে অবস্থান করায় সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি হামজা।
এবারের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় হামজা চৌধুরীর সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাফজয়ী নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা এবং তারকা হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম। তবে মাঠের পারফরম্যান্স ও জনপ্রিয়তার বিচারে বাকি দুজনকে পেছনে ফেলে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেন হামজা।
পুরস্কার পাওয়ার পর ইংল্যান্ড থেকে পাঠানো এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় লেস্টার সিটির এই তারকা ফুটবলার বলেন, আমি এই সম্মানজনক পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত ও গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী একটি পুরস্কার। সারা বছর ধরে আমাকে এবং আমাদের জাতীয় দলকে যেভাবে আপনারা সাপোর্ট দিয়েছেন, তার জন্য আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ ও কোটি ভক্তদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের স্মৃতিচারণ করে জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা ফুটবলার বলেন, বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন, যা বহু বছর ধরে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করে আসছে। এক সময় আমি নিজে ফুটবলার হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আসতাম। আর আজ দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে এখানে এলাম, এটা আমার জন্য অন্যরকম এক অনুভূতি। এই ধরনের আয়োজন আমাদের পুরো ক্রীড়াঙ্গনের অর্জনকে আরও সমৃদ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে বিএসপিএ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান তারকা ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দেশের খেলাধুলার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। হামজার এই জোড়া ট্রফি জয় দেশের ফুটবল উন্মাদনাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন