বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বহুমাত্রিক ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও টেকসই ও শক্তিশালী করতে দ্বিপক্ষীয় অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ন্যায়সংগত ও উভয় দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য সমাধান নিশ্চিত করা গেলে দুই দেশের সাধারণ জনগণের মধ্যে আস্থা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
অভিন্ন নদীর পানিপ্রবাহ দুই দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, গঙ্গা ও তিস্তাসহ সব অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে ভারতকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জবাবে ভারতের হাইকমিশনার জানান, এ বিষয়ে তাঁর সরকার ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী ও অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত বিশেষ গুরুত্ব দেয় ঢাকা। জাতীয় স্বার্থ, মর্যাদা, সার্বভৌম সমতা ও জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে এক ভবিষ্যৎমুখী, সম্মানজনক ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
সাক্ষাৎকালে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতিকে ভারতের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। পারস্পরিক সম্মান ও গভীর আস্থার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উন্নত ও উচ্চমাত্রায় নিয়ে যেতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, নদী ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার পথ আরও প্রসারিত করার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশ যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বহুমাত্রিক ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও টেকসই ও শক্তিশালী করতে দ্বিপক্ষীয় অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ন্যায়সংগত ও উভয় দেশের জন্য গ্রহণযোগ্য সমাধান নিশ্চিত করা গেলে দুই দেশের সাধারণ জনগণের মধ্যে আস্থা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।
অভিন্ন নদীর পানিপ্রবাহ দুই দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, গঙ্গা ও তিস্তাসহ সব অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে ভারতকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। জবাবে ভারতের হাইকমিশনার জানান, এ বিষয়ে তাঁর সরকার ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী ও অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত বিশেষ গুরুত্ব দেয় ঢাকা। জাতীয় স্বার্থ, মর্যাদা, সার্বভৌম সমতা ও জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে এক ভবিষ্যৎমুখী, সম্মানজনক ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
সাক্ষাৎকালে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতিকে ভারতের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ভারতের কাছে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। পারস্পরিক সম্মান ও গভীর আস্থার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উন্নত ও উচ্চমাত্রায় নিয়ে যেতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, নদী ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার পথ আরও প্রসারিত করার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশ যৌথভাবে আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন