সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলাজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তা দিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
গত ১৯ ও ২০ অক্টোবর টানা দুই দিন ধরে জেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজারি ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সার্বিক নিরাপত্তা ও সরকারি নির্দেশনার আলোকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়।
এই কার্যক্রমে অংশ নেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম, ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান এবং পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। এছাড়া মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও কেন্দ্রীয় যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটি গোপালগঞ্জ শহর ও উপজেলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আদান ঠাকুরের ভিটা দুর্গা মন্দির, মাঝিগাতি মণ্ডল বাড়ি দুর্গা মন্দির, রাজপাট মজুমদার বাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, হাইশুর বিশ্বাসবাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দির এবং খাটরা কালীবাড়ি মন্দির।অন্যদিকে, ২০ অক্টোবর কাশিয়ানী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওড়াকান্দী ঠাকুরবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিজ সুবর্ণা ঠাকুর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এবং কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া।
মুকসুদপুর সদর বাজার সংলগ্ন মন্দির রোডের পূজামণ্ডপে প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের মূল দর্শনই হলো ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’। এই নীতিকে সামনে রেখে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে নিশ্ছিদ্র সুরক্ষাবলয় তৈরি করা হয়েছে, যাতে পুণ্যার্থীরা পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পূজা আর্চনা সম্পন্ন করতে পারেন। সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২৬ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে গোপালগঞ্জ জেলাজুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উৎসবের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তা দিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
গত ১৯ ও ২০ অক্টোবর টানা দুই দিন ধরে জেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দির ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজারি ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সার্বিক নিরাপত্তা ও সরকারি নির্দেশনার আলোকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়।
এই কার্যক্রমে অংশ নেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম, ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান এবং পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। এছাড়া মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ও কেন্দ্রীয় যুবদলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলটি গোপালগঞ্জ শহর ও উপজেলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আদান ঠাকুরের ভিটা দুর্গা মন্দির, মাঝিগাতি মণ্ডল বাড়ি দুর্গা মন্দির, রাজপাট মজুমদার বাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, হাইশুর বিশ্বাসবাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দির এবং খাটরা কালীবাড়ি মন্দির।অন্যদিকে, ২০ অক্টোবর কাশিয়ানী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওড়াকান্দী ঠাকুরবাড়ি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মিজ সুবর্ণা ঠাকুর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এবং কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া।
মুকসুদপুর সদর বাজার সংলগ্ন মন্দির রোডের পূজামণ্ডপে প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের মূল দর্শনই হলো ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’। এই নীতিকে সামনে রেখে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। প্রতিটি মণ্ডপে আনসার, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে নিশ্ছিদ্র সুরক্ষাবলয় তৈরি করা হয়েছে, যাতে পুণ্যার্থীরা পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পূজা আর্চনা সম্পন্ন করতে পারেন। সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন