সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে বাংলাদেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। আজ বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যারিস্টার কাজলকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করেছেন। তিনি সদ্য বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হলেন। উল্লেখ্য, আসাদুজ্জামান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশের একজন খ্যাতিমান আইনজ্ঞ। তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ওকালতির মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর ক্রমান্বয়ে:
তার একাডেমিক পড়াশোনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে পুনরায় এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ২০০৬ সালে লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ লাভ করেন।
আইন পেশার পাশাপাশি তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে বাংলাদেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। আজ বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যারিস্টার কাজলকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করেছেন। তিনি সদ্য বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হলেন। উল্লেখ্য, আসাদুজ্জামান বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশের একজন খ্যাতিমান আইনজ্ঞ। তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ওকালতির মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর ক্রমান্বয়ে:
তার একাডেমিক পড়াশোনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে পুনরায় এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ২০০৬ সালে লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ লাভ করেন।
আইন পেশার পাশাপাশি তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন