মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

অবহেলা নয়, মানসিক সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

অবহেলা নয়, মানসিক সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনের নতুন রেকর্ড, গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৩২১ মেগাওয়াট

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনের নতুন রেকর্ড, গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৩২১ মেগাওয়াট

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতার চেষ্টা চলছে: ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতার চেষ্টা চলছে: ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি: বাড়িভাড়ার নতুন হার পুনর্নির্ধারণ

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি: বাড়িভাড়ার নতুন হার পুনর্নির্ধারণ

লাল–সবুজ পতাকাবাহী

বাংলাদেশের বহরে যুক্ত হলো সর্ববৃহৎ ট্যাংকার ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’

বাংলাদেশের বহরে যুক্ত হলো সর্ববৃহৎ ট্যাংকার ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’

বাংলাদেশের সামুদ্রিক পরিবহন খাতে যুক্ত হয়েছে একটি অত্যাধুনিক ও বিশালাকার ট্যাংকার—‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’। ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ এই ট্যাংকারটি বহরে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা দেশের জ্বালানি পরিবহন সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার দেইহান শিপবিল্ডিংয়ে নির্মিত এই ট্যাংকার তৈরির জন্য এমজেএল ২০২৩ সালের ২০ জুলাই চুক্তি স্বাক্ষর করে। প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বর্তমান বিনিময় হারে প্রায় ৯২২ কোটি টাকা) বিনিয়োগে নির্মিত এই জাহাজটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিনিয়োগের একটি উদাহরণ।


গত বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার দেইহান শিপইয়ার্ডে আয়োজিত নামকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী, দেইহান শিপবিল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান ডেভিড কিম, দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম এবং ইস্ট কোস্ট গ্রুপের শিপিং বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মিনহাজুর রেজা চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে ট্যাংকারটি অত্যন্ত সক্ষম। এটি একসঙ্গে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল পরিবহন করতে পারে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫০ মিটার। এর ফলে এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্যাংকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এমজেএল বাংলাদেশের বহরে এর আগে ‘এমটি ওমেরা গ্যালাক্সি’ নামের প্রায় সমমানের একটি ট্যাংকার ছিল, যা ২০১২ সালে নির্মিত এবং গত বছর বহরে যুক্ত হয়।

নৌ বাণিজ্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন সংযোজনের ফলে দেশের সমুদ্রগামী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৫-এ। সংস্থাটির মুখ্য কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন সাব্বির মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ট্যাংকার এবং এটি সাময়িক নিবন্ধন পেয়েছে।

উদ্যোক্তাদের মতে, এই ট্যাংকার যুক্ত হওয়ায় দেশীয়ভাবে জ্বালানি তেল পরিবহনে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পরিবহনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া, নতুন এই জাহাজে বাংলাদেশের নাবিকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দ্বারও উন্মুক্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশের বহরে যুক্ত হলো সর্ববৃহৎ ট্যাংকার ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের সামুদ্রিক পরিবহন খাতে যুক্ত হয়েছে একটি অত্যাধুনিক ও বিশালাকার ট্যাংকার—‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’। ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমজেএল বাংলাদেশ এই ট্যাংকারটি বহরে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা দেশের জ্বালানি পরিবহন সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার দেইহান শিপবিল্ডিংয়ে নির্মিত এই ট্যাংকার তৈরির জন্য এমজেএল ২০২৩ সালের ২০ জুলাই চুক্তি স্বাক্ষর করে। প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বর্তমান বিনিময় হারে প্রায় ৯২২ কোটি টাকা) বিনিয়োগে নির্মিত এই জাহাজটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিনিয়োগের একটি উদাহরণ।


গত বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার দেইহান শিপইয়ার্ডে আয়োজিত নামকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী, দেইহান শিপবিল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান ডেভিড কিম, দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম এবং ইস্ট কোস্ট গ্রুপের শিপিং বিভাগের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মিনহাজুর রেজা চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে ট্যাংকারটি অত্যন্ত সক্ষম। এটি একসঙ্গে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টন জ্বালানি তেল পরিবহন করতে পারে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫০ মিটার। এর ফলে এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ট্যাংকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এমজেএল বাংলাদেশের বহরে এর আগে ‘এমটি ওমেরা গ্যালাক্সি’ নামের প্রায় সমমানের একটি ট্যাংকার ছিল, যা ২০১২ সালে নির্মিত এবং গত বছর বহরে যুক্ত হয়।

নৌ বাণিজ্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন সংযোজনের ফলে দেশের সমুদ্রগামী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৫-এ। সংস্থাটির মুখ্য কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন সাব্বির মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘এমটি ওমেরা লিবার্টি’ বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ট্যাংকার এবং এটি সাময়িক নিবন্ধন পেয়েছে।

উদ্যোক্তাদের মতে, এই ট্যাংকার যুক্ত হওয়ায় দেশীয়ভাবে জ্বালানি তেল পরিবহনে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পরিবহনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া, নতুন এই জাহাজে বাংলাদেশের নাবিকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দ্বারও উন্মুক্ত হবে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো