পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করাই বর্তমানে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইজিপি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন, আর বিনিয়োগের প্রধান শর্ত হলো উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সেনাবাহিনী বা বিজিবি সহযোগী হিসেবে থাকলেও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় মূল ভূমিকা পুলিশেরই পালন করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, পাচার হওয়া অর্থের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পুলিশকে আরও তৎপর হতে হবে।
গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, সেই সময় পুলিশের মনোবল প্রায় শূন্যের কোঠায় ছিল। আমরা এখন সেই হারানো আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছি। পুলিশ যেন সঠিকভাবে আইনের সুরক্ষা দিতে পারে এবং জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।সম্প্রতি দেশে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
যুবসমাজকে রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।মাদক নির্মূল করাকে পুলিশের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি।
জুলাই বিপ্লবে পুলিশ সদস্যসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আইজিপি বলেন, প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আরএমপি কমিশনার ড. জিল্লুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করাই বর্তমানে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আইজিপি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন, আর বিনিয়োগের প্রধান শর্ত হলো উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সেনাবাহিনী বা বিজিবি সহযোগী হিসেবে থাকলেও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় মূল ভূমিকা পুলিশেরই পালন করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, পাচার হওয়া অর্থের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পুলিশকে আরও তৎপর হতে হবে।
গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, সেই সময় পুলিশের মনোবল প্রায় শূন্যের কোঠায় ছিল। আমরা এখন সেই হারানো আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছি। পুলিশ যেন সঠিকভাবে আইনের সুরক্ষা দিতে পারে এবং জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।সম্প্রতি দেশে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
যুবসমাজকে রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মাদকের বিস্তার আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।মাদক নির্মূল করাকে পুলিশের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি।
জুলাই বিপ্লবে পুলিশ সদস্যসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে আইজিপি বলেন, প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আরএমপি কমিশনার ড. জিল্লুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন