মার্চের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে জেঁকে বসতে শুরু করেছে গরম। আর তাপমাত্রার এই পারদ চড়ার সমান্তরালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা দেশে বিদ্যুৎ সংকটের নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। জনভোগান্তি কমাতে সরকার ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
আজ শনিবার ছুটির দিনেও বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালে দেশজুড়ে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। গতকাল শুক্রবার রাত থেকেই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। পিডিবি সূত্র জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টায় চাহিদা ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। বর্তমানে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ১৪৬, কয়লা থেকে ৪ হাজার ৬৯০ এবং তরল জ্বালানি থেকে ২ হাজার ২৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি চাহিদা মেটানো হচ্ছে ভারত ও আদানি পাওয়ার থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুৎ দিয়ে।
গরম বাড়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে। পেট্রোবাংলার অপারেশন বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মার্চ মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ থাকলেও এপ্রিলে তা বাড়িয়ে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে সরকার দৈনিক ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে অন্তত ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আগামী তিন মাসের জন্য নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে :
মার্চের অধিকাংশ সময় লোডশেডিংমুক্ত থাকলেও ৩০ মার্চ থেকে পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। ২ এপ্রিল লোডশেডিং ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়ায় গ্রাম ও শহর—উভয় অঞ্চলেই জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সামনের দিনগুলোতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
মার্চের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে জেঁকে বসতে শুরু করেছে গরম। আর তাপমাত্রার এই পারদ চড়ার সমান্তরালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা দেশে বিদ্যুৎ সংকটের নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। জনভোগান্তি কমাতে সরকার ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
আজ শনিবার ছুটির দিনেও বিদ্যুতের চাহিদা সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালে দেশজুড়ে প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখা দেয়। গতকাল শুক্রবার রাত থেকেই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। পিডিবি সূত্র জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টায় চাহিদা ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি। বর্তমানে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ১৪৬, কয়লা থেকে ৪ হাজার ৬৯০ এবং তরল জ্বালানি থেকে ২ হাজার ২৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি চাহিদা মেটানো হচ্ছে ভারত ও আদানি পাওয়ার থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুৎ দিয়ে।
গরম বাড়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে। পেট্রোবাংলার অপারেশন বিভাগের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মার্চ মাসে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দৈনিক ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ থাকলেও এপ্রিলে তা বাড়িয়ে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কথা মাথায় রেখে সরকার দৈনিক ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে অন্তত ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনে আগামী তিন মাসের জন্য নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে :
মার্চের অধিকাংশ সময় লোডশেডিংমুক্ত থাকলেও ৩০ মার্চ থেকে পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। ২ এপ্রিল লোডশেডিং ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাওয়ায় গ্রাম ও শহর—উভয় অঞ্চলেই জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সামনের দিনগুলোতে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন