মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলা ও হরমুজ প্রণালি বন্ধে বিপর্যস্ত তেল সরবরাহ—ইয়ানবু রুটে চাপ বৃদ্ধি, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সৌদি কর্তৃপক্ষ

সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলা

সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলা

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব–পশ্চিম তেল পাইপলাইনকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। এই পাইপলাইনটি বর্তমানে দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান ভরসা। বুধবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে। পাইপলাইনের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে।


এদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম তীব্রভাবে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব পূর্বাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে স্থানান্তরের জন্য এই পাইপলাইন ব্যবহার করে আসছিল।

হামলার কারণে পাইপলাইনের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco প্রতিদিন অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল ব্যবহার করে। ফলে রপ্তানির জন্য অবশিষ্ট থাকে প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল। শিপিং তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ ইয়ানবু বন্দরে হামলার ঘটনা ঘটলেও ২৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে সেখানে দৈনিক গড়ে ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল লোড করা হয়েছে, যা বন্দরটির প্রায় সর্বোচ্চ সক্ষমতার কাছাকাছি।

অন্যদিকে, এক বিবৃতিতের (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই অঞ্চলের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইয়ানবুতে অবস্থিত কিছু মার্কিন কোম্পানির তেল স্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইনে হামলা

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব–পশ্চিম তেল পাইপলাইনকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। এই পাইপলাইনটি বর্তমানে দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান ভরসা। বুধবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রয়টার্স এ তথ্য প্রকাশ করেছে। পাইপলাইনের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানা গেছে।


এদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম তীব্রভাবে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব পূর্বাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে স্থানান্তরের জন্য এই পাইপলাইন ব্যবহার করে আসছিল।

হামলার কারণে পাইপলাইনের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি Saudi Aramco প্রতিদিন অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল ব্যবহার করে। ফলে রপ্তানির জন্য অবশিষ্ট থাকে প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল। শিপিং তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ ইয়ানবু বন্দরে হামলার ঘটনা ঘটলেও ২৩ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে সেখানে দৈনিক গড়ে ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল লোড করা হয়েছে, যা বন্দরটির প্রায় সর্বোচ্চ সক্ষমতার কাছাকাছি।

অন্যদিকে, এক বিবৃতিতের (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই অঞ্চলের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইয়ানবুতে অবস্থিত কিছু মার্কিন কোম্পানির তেল স্থাপনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো