রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরেও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং বিরূপ আবহাওয়ার অজুহাতে বিক্রেতারা প্রতিটি পণ্যে বাড়তি দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির দাম যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ঢেঁড়স, পটল, বেগুন ও করলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, তেল ও বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বিক্রেতারা টালবাহানা করছেন। সেগুনবাগিচায় বাজার করতে আসা আসাদুজ্জামান বলেন, ৫-১০ টাকা বাড়তি মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু আকাশচুম্বী দাম দিয়ে সবজি কেনা এখন কষ্টের। তবে পেঁপে (৩০ টাকা) ও শিমের (৫০-৬০ টাকা) দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির পাশাপাশি মাছের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। পাবদা, রুই ও পাঙ্গাস মাছের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে পোয়া মাছের দামে বড় ব্যবধান দেখা গেছে; গত সপ্তাহের ২০০ টাকার পোয়া মাছ আজ ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মাংসের বাজারের চিত্র কিছুটা মিশ্র। গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে ১৮০ টাকায় নেমে এলেও সোনালী মুরগি ৪৩০-৪৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, ডিমের ডজন প্রতি ১০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শনির আখড়া বাজারের বিক্রেতা মোহাম্মদ রাসেল জানান, বৃষ্টির কারণে পণ্য আনা-নেওয়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেড়ে গেছে, যার প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়ছে। অনেক বিক্রেতা স্বীকার করছেন যে চড়া দামের কারণে শুক্রবারের মতো দিনগুলোতেও ক্রেতা সমাগম কম হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজি ও মাছের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরেও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং বিরূপ আবহাওয়ার অজুহাতে বিক্রেতারা প্রতিটি পণ্যে বাড়তি দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির দাম যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ঢেঁড়স, পটল, বেগুন ও করলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, তেল ও বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে বিক্রেতারা টালবাহানা করছেন। সেগুনবাগিচায় বাজার করতে আসা আসাদুজ্জামান বলেন, ৫-১০ টাকা বাড়তি মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু আকাশচুম্বী দাম দিয়ে সবজি কেনা এখন কষ্টের। তবে পেঁপে (৩০ টাকা) ও শিমের (৫০-৬০ টাকা) দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
সবজির পাশাপাশি মাছের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। পাবদা, রুই ও পাঙ্গাস মাছের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে পোয়া মাছের দামে বড় ব্যবধান দেখা গেছে; গত সপ্তাহের ২০০ টাকার পোয়া মাছ আজ ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মাংসের বাজারের চিত্র কিছুটা মিশ্র। গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে ১৮০ টাকায় নেমে এলেও সোনালী মুরগি ৪৩০-৪৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, ডিমের ডজন প্রতি ১০ টাকা কমে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শনির আখড়া বাজারের বিক্রেতা মোহাম্মদ রাসেল জানান, বৃষ্টির কারণে পণ্য আনা-নেওয়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে খরচ বেড়ে গেছে, যার প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়ছে। অনেক বিক্রেতা স্বীকার করছেন যে চড়া দামের কারণে শুক্রবারের মতো দিনগুলোতেও ক্রেতা সমাগম কম হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন