মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বিলুপ্তপ্রায় গ্রামীণ ঐতিহ্য ও বাঁশির সুরকে বাঁচিয়ে রাখতে সোহরাবের নিরন্তর সংগ্রাম

বাঁশির সুরে বেঁচে থাকা এক শিল্পী: রাজবাড়ীর সোহরাব হোসেনের অনন্য গল্প

বাঁশির সুরে বেঁচে থাকা এক শিল্পী: রাজবাড়ীর সোহরাব হোসেনের অনন্য গল্প
ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের আলাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহরাব হোসেন (৬৫)। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাঁশির সুরে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে শুধু শিল্পী হিসেবেই নয়, দক্ষ কারিগর হিসেবেও তার তৈরি বাঁশি এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমাদৃত।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুরের টানে ভারতের বিখ্যাত বংশীবাদক মন্টু বড়ুয়ার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন সোহরাব হোসেন। সেই গুরু-শিষ্য ঐতিহ্যের ধারায় তিনি আয়ত্ত করেন উচ্চাঙ্গ সংগীতের গভীরতা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাঁশির সুরেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের এক অনন্য শিল্পভুবন।

একজন গুণী বংশীবাদক হওয়ার পাশাপাশি তিনি বাঁশি তৈরির একজন দক্ষ কারিগর। বিশেষ করে চট্টগ্রামের স্বর্ণা বাঁশ দিয়ে তার নিজ হাতে তৈরি বাঁশিগুলো সংগীতপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার তৈরি বাঁশির নিখুঁত সুর ও মান জেলার সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছেছে সারা দেশে।


সোহরাব হোসেন বলেন, আমি চাই নতুন প্রজন্ম এই সুরের ধারাকে ধরে রাখুক এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাক।তার এই নিরলস প্রচেষ্টা তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্যবাহী সংগীত চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা মনে করেন, সোহরাব হোসেনের মতো গুণী শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের ঐতিহ্যকে নতুন করে পরিচিতি দেবে।

বিষয় : রাজবাড়ী সোহরাব হোসেন বাঁশীবাদক ঐতিহ্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বাঁশির সুরে বেঁচে থাকা এক শিল্পী: রাজবাড়ীর সোহরাব হোসেনের অনন্য গল্প

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের আলাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহরাব হোসেন (৬৫)। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাঁশির সুরে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে শুধু শিল্পী হিসেবেই নয়, দক্ষ কারিগর হিসেবেও তার তৈরি বাঁশি এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সমাদৃত।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুরের টানে ভারতের বিখ্যাত বংশীবাদক মন্টু বড়ুয়ার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন সোহরাব হোসেন। সেই গুরু-শিষ্য ঐতিহ্যের ধারায় তিনি আয়ত্ত করেন উচ্চাঙ্গ সংগীতের গভীরতা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাঁশির সুরেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের এক অনন্য শিল্পভুবন।

একজন গুণী বংশীবাদক হওয়ার পাশাপাশি তিনি বাঁশি তৈরির একজন দক্ষ কারিগর। বিশেষ করে চট্টগ্রামের স্বর্ণা বাঁশ দিয়ে তার নিজ হাতে তৈরি বাঁশিগুলো সংগীতপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার তৈরি বাঁশির নিখুঁত সুর ও মান জেলার সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছেছে সারা দেশে।


সোহরাব হোসেন বলেন, আমি চাই নতুন প্রজন্ম এই সুরের ধারাকে ধরে রাখুক এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাক।তার এই নিরলস প্রচেষ্টা তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্যবাহী সংগীত চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা মনে করেন, সোহরাব হোসেনের মতো গুণী শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিলে আমাদের গ্রামীণ সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের ঐতিহ্যকে নতুন করে পরিচিতি দেবে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো