বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিক কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। এই লাইসেন্স পাওয়ার মাধ্যমে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট পার্সোনেল অথোরাইজেশন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মঈনুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। এরপর পরবর্তী তিন মাসের মধ্যেই এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পূর্ণ সক্ষমতায় গ্রিডে সঞ্চালন শুরু হবে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই দীর্ঘ যাত্রাকে দেশের জ্বালানি খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। কার্বনমুক্ত ও টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি হবে দেশের প্রধান ভিত্তি।
লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশগুলোর ক্লাবে পূর্ণ শক্তিতে আবির্ভূত হতে চলেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হলো। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিক কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। এই লাইসেন্স পাওয়ার মাধ্যমে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট পার্সোনেল অথোরাইজেশন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মঈনুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। এরপর পরবর্তী তিন মাসের মধ্যেই এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পূর্ণ সক্ষমতায় গ্রিডে সঞ্চালন শুরু হবে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই দীর্ঘ যাত্রাকে দেশের জ্বালানি খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। কার্বনমুক্ত ও টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি হবে দেশের প্রধান ভিত্তি।
লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশগুলোর ক্লাবে পূর্ণ শক্তিতে আবির্ভূত হতে চলেছে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন