মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দর্শকপূর্ণ গ্যালারি আর ভিআইপিদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গ্যালারিতে বসে উপভোগ করেছিলেন ম্যাচটি। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় ৩৫ রানের হারে হোঁচট খেয়ে সিরিজ শুরু করল স্বাগতিক বাংলাদেশ।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই টালমাটাল হয়ে পড়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। ইনিংসের ৪তম ওভারে নিউজিল্যান্ডের পেসার নাথান স্মিথের তাণ্ডবে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই ব্যাটারই বোল্ড হয়ে ফিরলে দলের প্রাথমিক চাপ সামলানোর দায়িত্ব নেন লিটন দাস ও সাইফ হাসান।
তৃতীয় উইকেটে লিটন-সাইফ জুটিতে ১১৬ বলে ৯৩ রানের একটি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেওয়ার পথে সাইফ হাসান ৭৬ বলে ৫৭ রানের একটি ইনিংস খেলেন। ১৯তম ওভারে জশ ক্লার্কসনকে টানা হ্যাটট্রিক চার মেরে তিনি দর্শকদের দারুণ আনন্দ দিয়েছিলেন। তবে ২৩তম ওভারে উইলিয়াম ও’রুর্কের বলে ক্যাচ দিয়ে সাইফ ফিরলে সেই ছন্দপতন ঘটে।
সাইফ আউট হওয়ার পর তাওহীদ হৃদয় উইকেটে এসে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।
নিউজিল্যান্ডের এই দলটি পূর্ণ শক্তির নয়, আইপিএল ও পিএসএল-এর ব্যস্ততায় প্রথম সারির অনেক তারকাকে ছাড়াই তারা বাংলাদেশে এসেছে। সিরিজের আগে কোচ ফিল সিমন্স ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সফরকারীদের নিয়ে সতর্ক থাকার কথা বললেও, মাঠের পারফরম্যান্সে দ্বিতীয় সারির এই কিউইদের কাছেই হার মানতে হলো স্বাগতিকদের।
এই হারের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজ বাঁচাতে পরের ম্যাচগুলোয় টাইগারদের ব্যাটিং ও বোলিংয়ে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দর্শকপূর্ণ গ্যালারি আর ভিআইপিদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গ্যালারিতে বসে উপভোগ করেছিলেন ম্যাচটি। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় ৩৫ রানের হারে হোঁচট খেয়ে সিরিজ শুরু করল স্বাগতিক বাংলাদেশ।
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই টালমাটাল হয়ে পড়ে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। ইনিংসের ৪তম ওভারে নিউজিল্যান্ডের পেসার নাথান স্মিথের তাণ্ডবে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই ব্যাটারই বোল্ড হয়ে ফিরলে দলের প্রাথমিক চাপ সামলানোর দায়িত্ব নেন লিটন দাস ও সাইফ হাসান।
তৃতীয় উইকেটে লিটন-সাইফ জুটিতে ১১৬ বলে ৯৩ রানের একটি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেওয়ার পথে সাইফ হাসান ৭৬ বলে ৫৭ রানের একটি ইনিংস খেলেন। ১৯তম ওভারে জশ ক্লার্কসনকে টানা হ্যাটট্রিক চার মেরে তিনি দর্শকদের দারুণ আনন্দ দিয়েছিলেন। তবে ২৩তম ওভারে উইলিয়াম ও’রুর্কের বলে ক্যাচ দিয়ে সাইফ ফিরলে সেই ছন্দপতন ঘটে।
সাইফ আউট হওয়ার পর তাওহীদ হৃদয় উইকেটে এসে একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।
নিউজিল্যান্ডের এই দলটি পূর্ণ শক্তির নয়, আইপিএল ও পিএসএল-এর ব্যস্ততায় প্রথম সারির অনেক তারকাকে ছাড়াই তারা বাংলাদেশে এসেছে। সিরিজের আগে কোচ ফিল সিমন্স ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সফরকারীদের নিয়ে সতর্ক থাকার কথা বললেও, মাঠের পারফরম্যান্সে দ্বিতীয় সারির এই কিউইদের কাছেই হার মানতে হলো স্বাগতিকদের।
এই হারের ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজ বাঁচাতে পরের ম্যাচগুলোয় টাইগারদের ব্যাটিং ও বোলিংয়ে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন