জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করার সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না। দেশের মানুষকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না।
সোমবার বিকেলে যশোর জেলা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। আসুন, আমরা নিজেরা সতর্ক থাকি যাতে কেউ দেশে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। তিনি বর্তমান সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং অতীতের আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হওয়া নিপীড়ন ও মিথ্যা মামলার কথা স্মরণ করেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস হলো জনগণ। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শুরু করা জনকল্যাণমুখী অসমাপ্ত কাজগুলো বর্তমান সরকার আবার শুরু করেছে, যা বিগত ২০ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে থমকে ছিল।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে এই জনসভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করে ১৭৩ দিন হরতাল পালন করার সুযোগ আমরা আর কাউকে দেব না। দেশের মানুষকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না।
সোমবার বিকেলে যশোর জেলা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুজুর ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। আসুন, আমরা নিজেরা সতর্ক থাকি যাতে কেউ দেশে আর বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। তিনি বর্তমান সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং অতীতের আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর হওয়া নিপীড়ন ও মিথ্যা মামলার কথা স্মরণ করেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস হলো জনগণ। নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শুরু করা জনকল্যাণমুখী অসমাপ্ত কাজগুলো বর্তমান সরকার আবার শুরু করেছে, যা বিগত ২০ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে থমকে ছিল।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে এই জনসভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
বক্তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন