পবিত্র পুণ্যভূমি সিলেটে পা রেখেই উন্নয়নের এক নতুন মহোৎসবের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর, আর এই সফরের মূল আকর্ষণ ছিল সুরমা নদীকে ঘিরে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার এক মেগা প্রকল্প। শনিবার (২ মে) সকালে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় পার করছেন সিলেটের ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দিতে।
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সিলেটে পৌঁছালে স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করেন এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।
মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট নগরীর এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বড় ধরনের পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে, যা আমাদের কৃষি ও পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি খাল খনন এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। এছাড়াও হাওরাঞ্চলে অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণের ফলে ফসলের যে ক্ষতি হয়, সে বিষয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সিলেটের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, সিলেটের নবনির্মিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা হবে। কেবল তাই নয়, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১,২০০ শয্যায় উন্নীত করার কথা জানান তিনি। এর বাইরে বিকেলে জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভার মাধ্যমে তার ব্যস্ততম এই সফর শেষ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো সিলেট নগরীকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাদের নেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে সুরমা নদী প্রকল্পের উদ্বোধন সিলেটের নগর অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন নগরবাসী।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
পবিত্র পুণ্যভূমি সিলেটে পা রেখেই উন্নয়নের এক নতুন মহোৎসবের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম সিলেট সফর, আর এই সফরের মূল আকর্ষণ ছিল সুরমা নদীকে ঘিরে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার এক মেগা প্রকল্প। শনিবার (২ মে) সকালে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় পার করছেন সিলেটের ভবিষ্যৎ রূপরেখা বদলে দিতে।
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সিলেটে পৌঁছালে স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করেন এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।
মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট নগরীর এক সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বড় ধরনের পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে, যা আমাদের কৃষি ও পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। এই সংকট মোকাবিলায় তিনি খাল খনন এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। এছাড়াও হাওরাঞ্চলে অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণের ফলে ফসলের যে ক্ষতি হয়, সে বিষয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সিলেটের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, সিলেটের নবনির্মিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা হবে। কেবল তাই নয়, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১,২০০ শয্যায় উন্নীত করার কথা জানান তিনি। এর বাইরে বিকেলে জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ উদ্বোধন এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভার মাধ্যমে তার ব্যস্ততম এই সফর শেষ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো সিলেট নগরীকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাদের নেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে সুরমা নদী প্রকল্পের উদ্বোধন সিলেটের নগর অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন নগরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন