মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে এক ঐতিহাসিক সহযোগিতার হাত বাড়ালো বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। আজ শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজই ঢাকা পৌঁছেছেন পাকিস্তানি মন্ত্রী মহসিন নাকভি। বাংলাদেশে নতুন নির্বাচনের পর পাকিস্তান সরকারের কোনো মন্ত্রীর এটিই প্রথম ঢাকা সফর।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার, মাদকসংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) এবং আন্তদেশীয় অপরাধ দমনে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করবে। চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
এই চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। চুক্তিতে আদান-প্রদান হওয়া সব তথ্যের কঠোর গোপনীয়তা রক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে পরবর্তী ১০ বছর কার্যকর থাকবে এবং উভয় দেশের সম্মতিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা দুই দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে এক ঐতিহাসিক সহযোগিতার হাত বাড়ালো বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। আজ শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজই ঢাকা পৌঁছেছেন পাকিস্তানি মন্ত্রী মহসিন নাকভি। বাংলাদেশে নতুন নির্বাচনের পর পাকিস্তান সরকারের কোনো মন্ত্রীর এটিই প্রথম ঢাকা সফর।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার, মাদকসংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) এবং আন্তদেশীয় অপরাধ দমনে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করবে। চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
এই চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। চুক্তিতে আদান-প্রদান হওয়া সব তথ্যের কঠোর গোপনীয়তা রক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে পরবর্তী ১০ বছর কার্যকর থাকবে এবং উভয় দেশের সম্মতিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা দুই দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন