মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়তে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে— জানালেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।

গোপালগঞ্জে স্কুলের পাশে তামাক বিক্রি ও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন: দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

গোপালগঞ্জে স্কুলের পাশে তামাক বিক্রি ও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন: দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ ধূমপান ও তামাকমুক্ত রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও গোপালগঞ্জে অনেক জায়গাতেই তা মানা হচ্ছে না। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং তামাকপণ্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের দায়ে শহরের দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আইন অমান্য করায় ওই দুই স্টোর মালিককে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের মডেল স্কুল গেটসংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দেশের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৫(১)(ছ) ধারায় যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় একই আইনের ৬(১)(খ) ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে— কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

অভিযান চলাকালে আইনের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার প্রমাণ মেলায় কওমি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সোহাগ মোল্লা (২৫) এবং মেসার্স অহিদুজ্জামান স্টোরের মালিক এস্কেন্দার আলী মোল্লা (৪৫)-কে তাৎক্ষণিক জরিমানার আওতায় আনা হয়। তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।


জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি না করেন এবং কোনো ধরনের তামাকের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকেন।

অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী আমাদের জানান—

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে একটি তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও যারা এই আইন লঙ্ঘন করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং শহরের প্রতিটি স্কুলের আশেপাশের দোকানগুলোতে এই নজরদারি বজায় রাখার দাবি তুলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


গোপালগঞ্জে স্কুলের পাশে তামাক বিক্রি ও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন: দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ ধূমপান ও তামাকমুক্ত রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও গোপালগঞ্জে অনেক জায়গাতেই তা মানা হচ্ছে না। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং তামাকপণ্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের দায়ে শহরের দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আইন অমান্য করায় ওই দুই স্টোর মালিককে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের মডেল স্কুল গেটসংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দেশের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৫(১)(ছ) ধারায় যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় একই আইনের ৬(১)(খ) ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে— কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

অভিযান চলাকালে আইনের এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার প্রমাণ মেলায় কওমি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সোহাগ মোল্লা (২৫) এবং মেসার্স অহিদুজ্জামান স্টোরের মালিক এস্কেন্দার আলী মোল্লা (৪৫)-কে তাৎক্ষণিক জরিমানার আওতায় আনা হয়। তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।


জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি না করেন এবং কোনো ধরনের তামাকের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকেন।

অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী আমাদের জানান—

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রেখে একটি তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও যারা এই আইন লঙ্ঘন করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং শহরের প্রতিটি স্কুলের আশেপাশের দোকানগুলোতে এই নজরদারি বজায় রাখার দাবি তুলেছেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো