চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচায় বর্ণাঢ্য ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই সফরে আজ সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এই আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় পুত্রজায়ায় অবস্থিত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবন প্রাঙ্গণে পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথমেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে আন্তরিকতার সাথে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তাঁর সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।
অভ্যর্থনা পর্বের পরপরই দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্মান জানিয়ে লালগালিচায় মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল ঐতিহ্যবাহী ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সশস্ত্র বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুসজ্জিত গার্ড পরিদর্শন করেন।
এর আগে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে আজ সকালে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় কুয়ালালামপুরের সাংগ্রিলা হোটেল থেকে কঠোর নিরাপত্তায় মোটর শোভাযাত্রা সহকারে পুত্রজায়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান। পরে ঠিক সকাল ৯টায় তাঁরা পুত্রজায়ায় অবস্থিত মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে পৌঁছান।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাঁকে দেশটির সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল স্বাগত জানায়।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গার্ড অব অনার পরিদর্শন শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এক একান্ত বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি, শ্রমবাজারের উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকট ইস্যুসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছেন দুই দেশের নীতি-নির্ধারকেরা।
বিষয় : মালয়েশিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচায় বর্ণাঢ্য ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই সফরে আজ সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এই আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় পুত্রজায়ায় অবস্থিত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবন প্রাঙ্গণে পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথমেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে আন্তরিকতার সাথে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তাঁর সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।
অভ্যর্থনা পর্বের পরপরই দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্মান জানিয়ে লালগালিচায় মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল ঐতিহ্যবাহী ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সশস্ত্র বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুসজ্জিত গার্ড পরিদর্শন করেন।
এর আগে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিতে আজ সকালে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় কুয়ালালামপুরের সাংগ্রিলা হোটেল থেকে কঠোর নিরাপত্তায় মোটর শোভাযাত্রা সহকারে পুত্রজায়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান। পরে ঠিক সকাল ৯টায় তাঁরা পুত্রজায়ায় অবস্থিত মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে পৌঁছান।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাঁকে দেশটির সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল স্বাগত জানায়।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, গার্ড অব অনার পরিদর্শন শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এক একান্ত বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি, শ্রমবাজারের উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকট ইস্যুসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করছেন দুই দেশের নীতি-নির্ধারকেরা।

আপনার মতামত লিখুন