দেশের শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্যে শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শিশুশিল্পী প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও রিয়েলিটি শো—শাপলাকুঁড়ি ২০২৬। বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে এবারের প্রতিযোগিতায় সম্প্রচার সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’। পুরো আয়োজনটি অনুষ্ঠান আকারে নিয়মিত প্রচার করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এবারের ‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রতিযোগিতার মূল বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে—কিরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য এবং যন্ত্রসংগীত। সারা দেশকে মোট ১২টি জোনে ভাগ করে প্রাথমিক বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। জোন পর্যায়ে বিজয়ীরা চূড়ান্ত পর্বে বিষয়ভিত্তিক নির্বাচনে মোট ১৫টি একক এবং ৩টি দলীয় বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ তিনটি একক এবং একটি দলীয় বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।
প্রতিযোগিতার অডিশন থেকে শুরু করে প্রতিটি আকর্ষণীয় পর্ব চ্যানেল আইয়ের পর্দায় নিয়মিত সম্প্রচার করা হবে। গতকাল থেকে প্রতিযোগীদের মূল রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে। রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য চ্যানেল আই এবং বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এদিকে, প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বিস্তারিত ঘোষণার লক্ষ্যে গতকাল চ্যানেল আই কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির মহাপরিচালক হুমায়ুন কবীর। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য নজরুলসংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, ফাতেমা তুজ জোহরা, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিউটি, লায়লা এবং মৌমিতা বড়ুয়াসহ দেশের সংগীতাঙ্গনের বিশিষ্ট গুণীজনেরা।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘শাপলাকুঁড়ি’র এই বিশাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা বহু প্রতিভাবান শিশুশিল্পী উঠে আসবে, যা ভবিষ্যতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিষয় : বিনোদন ছাপা সংস্করণ শিশু শিল্পী

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
দেশের শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্যে শুরু হতে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শিশুশিল্পী প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ও রিয়েলিটি শো—শাপলাকুঁড়ি ২০২৬। বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে এবারের প্রতিযোগিতায় সম্প্রচার সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’। পুরো আয়োজনটি অনুষ্ঠান আকারে নিয়মিত প্রচার করবে প্রতিষ্ঠানটি।
এবারের ‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রতিযোগিতার মূল বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে—কিরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য এবং যন্ত্রসংগীত। সারা দেশকে মোট ১২টি জোনে ভাগ করে প্রাথমিক বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। জোন পর্যায়ে বিজয়ীরা চূড়ান্ত পর্বে বিষয়ভিত্তিক নির্বাচনে মোট ১৫টি একক এবং ৩টি দলীয় বিষয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। নিয়ম অনুযায়ী, একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ তিনটি একক এবং একটি দলীয় বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।
প্রতিযোগিতার অডিশন থেকে শুরু করে প্রতিটি আকর্ষণীয় পর্ব চ্যানেল আইয়ের পর্দায় নিয়মিত সম্প্রচার করা হবে। গতকাল থেকে প্রতিযোগীদের মূল রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা আগামী ২০ আগস্ট পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে। রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য চ্যানেল আই এবং বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এদিকে, প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বিস্তারিত ঘোষণার লক্ষ্যে গতকাল চ্যানেল আই কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির মহাপরিচালক হুমায়ুন কবীর। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য নজরুলসংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, ফাতেমা তুজ জোহরা, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বিউটি, লায়লা এবং মৌমিতা বড়ুয়াসহ দেশের সংগীতাঙ্গনের বিশিষ্ট গুণীজনেরা।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘শাপলাকুঁড়ি’র এই বিশাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা বহু প্রতিভাবান শিশুশিল্পী উঠে আসবে, যা ভবিষ্যতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন