বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এক প্রাচীন ও বৈচিত্র্যময় জনপদ হাতিয়া। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫ অব্দের দিকে মানুষের নজরে আসা এই দ্বীপ আজও প্রকৃতির ভাঙাগড়ায় নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। হাতিয়া সদর এবং এর প্রধান অলংকার ‘নিঝুম দ্বীপ’—এই দুইয়ে মিলে যেন প্রকৃতির এক অপার্থিব ক্যানভাস। সম্প্রতি এক দল ভ্রমণপিপাসু ঘুরে এলেন এই নয়নাভিরাম দ্বীপে।
কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে রাত সাড়ে ১১টায় যাত্রা শুরু করে প্রথম গন্তব্য ছিল চর ঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাট। এটি স্থানীয় ইলিশ বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। সেখান থেকে সি-ট্রাকে মেঘনা পাড়ি দিয়ে নলচিরা ঘাট, তারপর স্থানীয় টমটমে ৮ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে উপজেলা সদরের ওছখালী বাজার। সেখান থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘কমলা দিঘি’ হাতিয়ার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। দিঘির পাশে কেওড়া বন আর মেঘনার নীল জলরাশির মিতালি যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষিত নিঝুম দ্বীপকে বলা হয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। নোনা পানিবেষ্টিত এই কেওড়া বনের অভয়ারণ্যে অবাধে ঘুরে বেড়ায় বন্যপ্রাণী। নিঝুম দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ হলো এর চিত্রা হরিণ। স্থানীয়ভাবে বলা হয়, এটি দেশের একমাত্র দ্বীপ যেখানে মানুষের চেয়ে হরিণ বেশি।
কী দেখবেন ও কোথায় ঘুরবেন:
স্বাদে-গন্ধে নিঝুম দ্বীপ:
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নিঝুম দ্বীপের খাবার এক বাড়তি পাওনা। সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, মোটা চালের ভাত আর মহিষের দইয়ের স্বাদ অতুলনীয়। এছাড়া শীতকালে (অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন) এখানকার খেজুরের রস ও গুড় দেশজুড়ে বিখ্যাত।
যাতায়াত ব্যবস্থা:
প্রকৃতির সান্নিধ্য আর কোলাহলমুক্ত পরিবেশের খোঁজে যারা আছেন, তাদের জন্য হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপ হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এক প্রাচীন ও বৈচিত্র্যময় জনপদ হাতিয়া। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫ অব্দের দিকে মানুষের নজরে আসা এই দ্বীপ আজও প্রকৃতির ভাঙাগড়ায় নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। হাতিয়া সদর এবং এর প্রধান অলংকার ‘নিঝুম দ্বীপ’—এই দুইয়ে মিলে যেন প্রকৃতির এক অপার্থিব ক্যানভাস। সম্প্রতি এক দল ভ্রমণপিপাসু ঘুরে এলেন এই নয়নাভিরাম দ্বীপে।
কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে রাত সাড়ে ১১টায় যাত্রা শুরু করে প্রথম গন্তব্য ছিল চর ঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ঘাট। এটি স্থানীয় ইলিশ বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। সেখান থেকে সি-ট্রাকে মেঘনা পাড়ি দিয়ে নলচিরা ঘাট, তারপর স্থানীয় টমটমে ৮ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে উপজেলা সদরের ওছখালী বাজার। সেখান থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘কমলা দিঘি’ হাতিয়ার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। দিঘির পাশে কেওড়া বন আর মেঘনার নীল জলরাশির মিতালি যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষিত নিঝুম দ্বীপকে বলা হয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। নোনা পানিবেষ্টিত এই কেওড়া বনের অভয়ারণ্যে অবাধে ঘুরে বেড়ায় বন্যপ্রাণী। নিঝুম দ্বীপের প্রধান আকর্ষণ হলো এর চিত্রা হরিণ। স্থানীয়ভাবে বলা হয়, এটি দেশের একমাত্র দ্বীপ যেখানে মানুষের চেয়ে হরিণ বেশি।
কী দেখবেন ও কোথায় ঘুরবেন:
স্বাদে-গন্ধে নিঝুম দ্বীপ:
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নিঝুম দ্বীপের খাবার এক বাড়তি পাওনা। সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, মোটা চালের ভাত আর মহিষের দইয়ের স্বাদ অতুলনীয়। এছাড়া শীতকালে (অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন) এখানকার খেজুরের রস ও গুড় দেশজুড়ে বিখ্যাত।
যাতায়াত ব্যবস্থা:
প্রকৃতির সান্নিধ্য আর কোলাহলমুক্ত পরিবেশের খোঁজে যারা আছেন, তাদের জন্য হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপ হতে পারে আদর্শ গন্তব্য।

আপনার মতামত লিখুন