সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। এরই মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ৯ হাজার ১০২ জন ধর্মীয় সেবকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি সম্মানি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২৯৫ জন ইমাম, ২ হাজার ৯৭৫ জন মুয়াজ্জিন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিত ও অধ্যক্ষরা রয়েছেন।
কৃষকদের সুরক্ষায় সরকার ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১১টি ব্লকে এটি পাইলটিং করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শস্য, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ ইতোমধ্যে মওকুফ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে খুলনা জেলায় ২৫ লাখ ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া চলতি অর্থবছর থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এছাড়া পানিসম্পদ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। খেলাধুলার মানোন্নয়নে ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালু করা হয়েছে, যার আওতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে প্রথম ধাপে ভাতা দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশে দ্রুততম সময়ে পেপ্যালের কার্যক্রম শুরু করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসা’র জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষ করে জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির আগেই এই ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। এরই মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই ৯ হাজার ১০২ জন ধর্মীয় সেবকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি সম্মানি পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২৯৫ জন ইমাম, ২ হাজার ৯৭৫ জন মুয়াজ্জিন এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিত ও অধ্যক্ষরা রয়েছেন।
কৃষকদের সুরক্ষায় সরকার ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ১১টি ব্লকে এটি পাইলটিং করা হচ্ছে। এছাড়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শস্য, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ ইতোমধ্যে মওকুফ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে খুলনা জেলায় ২৫ লাখ ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। এছাড়া চলতি অর্থবছর থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এছাড়া পানিসম্পদ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। খেলাধুলার মানোন্নয়নে ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালু করা হয়েছে, যার আওতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে প্রথম ধাপে ভাতা দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশে দ্রুততম সময়ে পেপ্যালের কার্যক্রম শুরু করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসা’র জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষ করে জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির আগেই এই ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন