জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত ৮টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানালেও এর বিরূপ প্রভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজকরা। সান্ধ্যকালীন শো (Evening Shows) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রিন্স, রাক্ষস, বনলতা এক্সপ্রেস, দম ও প্রেশার কুকার সিনেমাগুলোর লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
রোববার থেকে দেশের মাল্টিপ্লেক্সগুলো সন্ধ্যার পর সব সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ রেখেছে। এমন অবস্থায় একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে সরকারের কাছে সিনেমা হলগুলোকে এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রেখে রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন নির্মাতারা।
যৌথ এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন দম সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল ও পরিচালক রেদওয়ান রনি, বনলতা এক্সপ্রেস-এর নির্মাতা তানিম নূর ও প্রযোজক সাকিব আর খান, প্রেশার কুকার-এর পরিচালক রায়হান রাফী, রাক্ষস সিনেমার প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি এবং প্রিন্স সিনেমার প্রযোজক শিরিন সুলতানা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদের সিনেমার মূল দর্শক সমাগম ঘটে সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতে, যা সিনেমার ভাষায় ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে বিবেচিত। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক পরিবারসহ এই সময়েই প্রেক্ষাগৃহে আসেন। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শো বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন, যা সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। নির্মাতারা মনে করেন, উৎসবের এই দিনগুলোই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
বিবৃতিতে অতীতে প্রচলিত নিয়মের উদাহরণ টেনে বলা হয়, আগে মার্কেট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো। রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চলত এবং এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতো না। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তাঁরা।
দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা দিতে এবং প্রযোজকদের বিনিয়োগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও সহমর্মিতামূলক পদক্ষেপ কামনা করেছেন এই পাঁচ সিনেমার নির্মাতা ও প্রযোজকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত ৮টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানালেও এর বিরূপ প্রভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজকরা। সান্ধ্যকালীন শো (Evening Shows) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রিন্স, রাক্ষস, বনলতা এক্সপ্রেস, দম ও প্রেশার কুকার সিনেমাগুলোর লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
রোববার থেকে দেশের মাল্টিপ্লেক্সগুলো সন্ধ্যার পর সব সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ রেখেছে। এমন অবস্থায় একটি যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে সরকারের কাছে সিনেমা হলগুলোকে এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রেখে রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন নির্মাতারা।
যৌথ এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন দম সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল ও পরিচালক রেদওয়ান রনি, বনলতা এক্সপ্রেস-এর নির্মাতা তানিম নূর ও প্রযোজক সাকিব আর খান, প্রেশার কুকার-এর পরিচালক রায়হান রাফী, রাক্ষস সিনেমার প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি এবং প্রিন্স সিনেমার প্রযোজক শিরিন সুলতানা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদের সিনেমার মূল দর্শক সমাগম ঘটে সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতে, যা সিনেমার ভাষায় ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে বিবেচিত। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক পরিবারসহ এই সময়েই প্রেক্ষাগৃহে আসেন। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শো বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন, যা সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। নির্মাতারা মনে করেন, উৎসবের এই দিনগুলোই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
বিবৃতিতে অতীতে প্রচলিত নিয়মের উদাহরণ টেনে বলা হয়, আগে মার্কেট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো। রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চলত এবং এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতো না। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তাঁরা।
দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা দিতে এবং প্রযোজকদের বিনিয়োগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও সহমর্মিতামূলক পদক্ষেপ কামনা করেছেন এই পাঁচ সিনেমার নির্মাতা ও প্রযোজকরা।

আপনার মতামত লিখুন