বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার জেরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম। গতকাল শনিবার রাতে সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হচ্ছে।
একনজরে নতুন দাম (প্রতি লিটার):
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২২ সালের আগস্টের রেকর্ড ভেঙে ডিজেলের দাম এখন দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালো।
দাম বাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গতকাল রাত থেকেই সারাদেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেক জায়গায় তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চালকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বাজারে যে অস্বাভাবিক চাহিদা দেখা যাচ্ছে তা যৌক্তিক নয়। মানুষের ভোগান্তি কমাতে আমরা সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি।
বিপিসি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। আজ থেকে ডিজেলের দৈনিক সরবরাহ ১১ হাজার ১০৭ টন থেকে বাড়িয়ে ১৩ হাজার ৪৮ টন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও।
উল্লেখ্য, দেশে মোট ব্যবহৃত জ্বালানির ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। ফলে এই দাম বৃদ্ধির কারণে গণপরিবহনের ভাড়া এবং কৃষি খাতের সেচ খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার জেরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম। গতকাল শনিবার রাতে সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হচ্ছে।
একনজরে নতুন দাম (প্রতি লিটার):
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২২ সালের আগস্টের রেকর্ড ভেঙে ডিজেলের দাম এখন দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালো।
দাম বাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গতকাল রাত থেকেই সারাদেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেক জায়গায় তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চালকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বাজারে যে অস্বাভাবিক চাহিদা দেখা যাচ্ছে তা যৌক্তিক নয়। মানুষের ভোগান্তি কমাতে আমরা সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছি।
বিপিসি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। আজ থেকে ডিজেলের দৈনিক সরবরাহ ১১ হাজার ১০৭ টন থেকে বাড়িয়ে ১৩ হাজার ৪৮ টন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও।
উল্লেখ্য, দেশে মোট ব্যবহৃত জ্বালানির ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। ফলে এই দাম বৃদ্ধির কারণে গণপরিবহনের ভাড়া এবং কৃষি খাতের সেচ খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন