রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হলভর্তি দর্শক যখন একযোগে দাঁড়িয়ে করতালিতে ফেটে পড়লেন, ঠিক তখনই মঞ্চে ধীরপায়ে হেঁটে আসলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এম এ আলমগীর। দেশের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনের সবচাইতে বড় আসর মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫-এর মঞ্চে গতকাল এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়, যখন বরেণ্য এই অভিনেতাকে জানানো হলো আজীবন সম্মাননা।
আজীবন সম্মাননার এই মাহেন্দ্রক্ষণে আলমগীরের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। বরেণ্য এই অভিনেতাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান।
পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর কিংবদন্তি এই অভিনেতা অত্যন্ত বিনয় ও গভীর জীবনদর্শনের পরিচয় দেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও বিশিষ্ট অভিনেতা আফজাল হোসেনের এক বক্তব্যের রেশ ধরে আলমগীর বলেন, আফজাল মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছে—আমি অভিনয় করে তৃপ্তি পাইনি। আমার বিশ্বাস আফজালেরও তাই। অভিনয় করে কি আসলে তৃপ্তি পাওয়া যায়? পাওয়া যায় না। অভিনয়ের যে গভীরতা, এর শেষ এক জনমে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। এটি খুঁজে পেতে হলে শত জনম নিতে হবে। আমরা তো একটা জনমই পেয়েছি। তাই অভিনয়ের শেষ কখনো দেখে যেতে পারব না।
পুরস্কারের চাইতেও আলমগীরকে বেশি আবেগাপ্লুত করেছে দর্শকদের ভালোবাসা। মঞ্চে আসার সময় মিলনায়তন ভর্তি দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে যে শ্রদ্ধা জানান, সে বিষয়ে তিনি বলেন, মঞ্চে আসার পর আপনারা যেভাবে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, এটা আমার নিজের চোখে দেখলাম এবং নিজের কানে শুনলাম। এটাকে আমি অন্তরে ধারণ করব মৃত্যু পর্যন্ত।
আজীবন সম্মাননার এই বিশেষ আয়োজনে আলমগীরের জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। রূপালী পর্দার সেই রাজপুত্রের রঙিন দিনগুলো থেকে শুরু করে আজকের এই মহীরুহ হয়ে ওঠার গল্পে মগ্ন ছিলেন উপস্থিত নবীন-প্রবীণ তারকারা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হলভর্তি দর্শক যখন একযোগে দাঁড়িয়ে করতালিতে ফেটে পড়লেন, ঠিক তখনই মঞ্চে ধীরপায়ে হেঁটে আসলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এম এ আলমগীর। দেশের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনের সবচাইতে বড় আসর মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫-এর মঞ্চে গতকাল এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়, যখন বরেণ্য এই অভিনেতাকে জানানো হলো আজীবন সম্মাননা।
আজীবন সম্মাননার এই মাহেন্দ্রক্ষণে আলমগীরের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ৩ লাখ টাকার চেক তুলে দেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। বরেণ্য এই অভিনেতাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান।
পুরস্কার হাতে পাওয়ার পর কিংবদন্তি এই অভিনেতা অত্যন্ত বিনয় ও গভীর জীবনদর্শনের পরিচয় দেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও বিশিষ্ট অভিনেতা আফজাল হোসেনের এক বক্তব্যের রেশ ধরে আলমগীর বলেন, আফজাল মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছে—আমি অভিনয় করে তৃপ্তি পাইনি। আমার বিশ্বাস আফজালেরও তাই। অভিনয় করে কি আসলে তৃপ্তি পাওয়া যায়? পাওয়া যায় না। অভিনয়ের যে গভীরতা, এর শেষ এক জনমে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। এটি খুঁজে পেতে হলে শত জনম নিতে হবে। আমরা তো একটা জনমই পেয়েছি। তাই অভিনয়ের শেষ কখনো দেখে যেতে পারব না।
পুরস্কারের চাইতেও আলমগীরকে বেশি আবেগাপ্লুত করেছে দর্শকদের ভালোবাসা। মঞ্চে আসার সময় মিলনায়তন ভর্তি দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে যে শ্রদ্ধা জানান, সে বিষয়ে তিনি বলেন, মঞ্চে আসার পর আপনারা যেভাবে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, এটা আমার নিজের চোখে দেখলাম এবং নিজের কানে শুনলাম। এটাকে আমি অন্তরে ধারণ করব মৃত্যু পর্যন্ত।
আজীবন সম্মাননার এই বিশেষ আয়োজনে আলমগীরের জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। রূপালী পর্দার সেই রাজপুত্রের রঙিন দিনগুলো থেকে শুরু করে আজকের এই মহীরুহ হয়ে ওঠার গল্পে মগ্ন ছিলেন উপস্থিত নবীন-প্রবীণ তারকারা।

আপনার মতামত লিখুন