মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের বিছানাকান্দি: পাহাড়, মেঘ আর ঝরনার এক অনন্য ক্যানভাস।

শীতল জল আর পাহাড়ের হাতছানি: ঘুরে আসুন রূপবতী বিছানাকান্দি

শীতল জল আর পাহাড়ের হাতছানি: ঘুরে আসুন রূপবতী বিছানাকান্দি
ছবি : সংগৃহীত

প্রকৃতি যেন নিজের হাতে বিছিয়ে রেখেছে পাথরের গালিচা, আর তার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্ফটিক স্বচ্ছ শীতল জলধারা। বলছিলাম সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্তঘেঁষা অপূর্ব পর্যটন কেন্দ্র বিছানাকান্দির কথা। পাহাড়, নদী আর পাথরের এই এক অনন্য মিতালি দেখতে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড় জমছে এখানে।

বিছানাকান্দির মূল আকর্ষণ হলো এর চারপাশের সুউচ্চ পাহাড়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়গুলো এখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে, আর পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা সাদা ঝরনাগুলো চোখের পলকে মন ভালো করে দেয়। বিশেষ করে বর্ষা বা এই সময়ের হালকা বৃষ্টিতে পাহাড়ের গায়ে মেঘেদের লুকোচুরি খেলা এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে।

বিছানাকান্দিতে নদীর তলদেশ পুরোটাই পাথরে ঢাকা। স্বচ্ছ পানির নিচে ছোট-বড় অসংখ্য পাথর দেখা যায়। পর্যটকরা এখানে এসে হাঁটু সমান পানিতে নেমে ঝরনার শীতল পরশ নেন। চারপাশের সবুজ পাহাড় আর নিচে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে মনে হয় যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ক্যানভাস।


কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে প্রথমে সিলেটে পৌঁছাতে হবে। সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা লেগুনায় চড়ে যেতে হবে হাদার বাজার। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে সোজা বিছানাকান্দি। নৌকায় যাওয়ার সময় পিয়াইন নদীর দুই ধারের দৃশ্য আপনাকে বিমোহিত করবে।

কিছু জরুরি টিপস:

  • খাবার: হাদার বাজারে মোটামুটি মানের কিছু হোটেল আছে, তবে ভালো হয় সিলেট শহর থেকে শুকনো খাবার সাথে নিলে।
  • সতর্কতা: নদীর তলদেশ পাথুরে এবং পিচ্ছিল, তাই হাঁটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া সীমান্ত এলাকা হওয়ায় সীমানা অতিক্রম না করার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
  • পরিবেশ রক্ষা: পর্যটন কেন্দ্রটি পরিষ্কার রাখতে চিপসের প্যাকেট বা প্লাস্টিকের বোতল যত্রতত্র ফেলবেন না।

বিষয় : সিলেট ভ্রমণ বিছানাকান্দি ভ্রমণ গাইড

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


শীতল জল আর পাহাড়ের হাতছানি: ঘুরে আসুন রূপবতী বিছানাকান্দি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রকৃতি যেন নিজের হাতে বিছিয়ে রেখেছে পাথরের গালিচা, আর তার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা স্ফটিক স্বচ্ছ শীতল জলধারা। বলছিলাম সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সীমান্তঘেঁষা অপূর্ব পর্যটন কেন্দ্র বিছানাকান্দির কথা। পাহাড়, নদী আর পাথরের এই এক অনন্য মিতালি দেখতে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড় জমছে এখানে।

বিছানাকান্দির মূল আকর্ষণ হলো এর চারপাশের সুউচ্চ পাহাড়। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়গুলো এখানে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে, আর পাহাড়ের বুক চিরে নেমে আসা সাদা ঝরনাগুলো চোখের পলকে মন ভালো করে দেয়। বিশেষ করে বর্ষা বা এই সময়ের হালকা বৃষ্টিতে পাহাড়ের গায়ে মেঘেদের লুকোচুরি খেলা এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে।

বিছানাকান্দিতে নদীর তলদেশ পুরোটাই পাথরে ঢাকা। স্বচ্ছ পানির নিচে ছোট-বড় অসংখ্য পাথর দেখা যায়। পর্যটকরা এখানে এসে হাঁটু সমান পানিতে নেমে ঝরনার শীতল পরশ নেন। চারপাশের সবুজ পাহাড় আর নিচে স্বচ্ছ পানি—সব মিলিয়ে মনে হয় যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ক্যানভাস।


কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে প্রথমে সিলেটে পৌঁছাতে হবে। সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা লেগুনায় চড়ে যেতে হবে হাদার বাজার। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে সোজা বিছানাকান্দি। নৌকায় যাওয়ার সময় পিয়াইন নদীর দুই ধারের দৃশ্য আপনাকে বিমোহিত করবে।

কিছু জরুরি টিপস:

  • খাবার: হাদার বাজারে মোটামুটি মানের কিছু হোটেল আছে, তবে ভালো হয় সিলেট শহর থেকে শুকনো খাবার সাথে নিলে।
  • সতর্কতা: নদীর তলদেশ পাথুরে এবং পিচ্ছিল, তাই হাঁটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া সীমান্ত এলাকা হওয়ায় সীমানা অতিক্রম না করার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
  • পরিবেশ রক্ষা: পর্যটন কেন্দ্রটি পরিষ্কার রাখতে চিপসের প্যাকেট বা প্লাস্টিকের বোতল যত্রতত্র ফেলবেন না।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো