মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ব্যাটারি ও আধুনিক ফিচারে ভিভোর নতুন মডেল ‘ওয়াই৩২’

দীর্ঘ ব্যাটারি ও আধুনিক ফিচারে ভিভোর নতুন মডেল ‘ওয়াই৩২’

মোবাইল ইন্টারনেটের চড়া দাম ও নিম্নমান: স্মার্ট বাংলাদেশের পথে বড় বাধা

মোবাইল ইন্টারনেটের চড়া দাম ও নিম্নমান: স্মার্ট বাংলাদেশের পথে বড় বাধা

আশির দশকের আবহ ও এআই প্রযুক্তি: ফেসবুকজুড়ে রেট্রো লুকের নতুন উন্মাদনা

আশির দশকের আবহ ও এআই প্রযুক্তি: ফেসবুকজুড়ে রেট্রো লুকের নতুন উন্মাদনা

প্রযুক্তির আড়ালে জালিয়াত চক্র: এআই ডিপফেক ও ভয়েস ক্লোনে দিশেহারা মানুষ

প্রযুক্তির আড়ালে জালিয়াত চক্র: এআই ডিপফেক ও ভয়েস ক্লোনে দিশেহারা মানুষ

প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান গঠনে জোর: ফরিদপুরে যুবদের এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ করার বিশেষ উদ্যোগ

প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান গঠনে জোর: ফরিদপুরে যুবদের এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ করার বিশেষ উদ্যোগ

সেলফি ভিডিও দিয়ে ফ্রিতেই ফেসবুক ভেরিফায়েড হওয়ার সুযোগ আনল মেটা

সেলফি ভিডিও দিয়ে ফ্রিতেই ফেসবুক ভেরিফায়েড হওয়ার সুযোগ আনল মেটা

বিশ্বজুড়ে হঠাৎ বন্ধ ফেসবুক, লগ-ইন করতে পারছেন না কোটি ব্যবহারকারী

বিশ্বজুড়ে হঠাৎ বন্ধ ফেসবুক, লগ-ইন করতে পারছেন না কোটি ব্যবহারকারী

টেক দুনিয়ায় তোলপাড়: সেপ্টেম্বরেই আসছে আইফোন ১৮ প্রো এবং অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন আল্ট্রা!

টেক দুনিয়ায় তোলপাড়: সেপ্টেম্বরেই আসছে আইফোন ১৮ প্রো এবং অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন আল্ট্রা!

প্রযুক্তি

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও অপপ্রচার: ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে করণীয় কী?

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও অপপ্রচার: ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে করণীয় কী?
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রসারের ফলে আমাদের জীবনযাত্রা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহার জনজীবনে তৈরি করছে নানা বিশৃঙ্খলা। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরণের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। এই ডিজিটাল অপপ্রচার রোধে ব্যক্তিগত সচেতনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা জ্ঞান অর্জন এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, তুচ্ছ কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এডিট করা ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা কিংবা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় থাকে। অনেক সময় না বুঝেই সাধারণ মানুষ এসব তথ্য শেয়ার করে গুজবের অংশীদার হয়ে পড়েন। এর ফলে সমাজে মারামারি, অস্থিরতা এবং অনেক ক্ষেত্রে জানমালের ক্ষতির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়।


বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহার করে খুব সহজেই মানুষের চেহারা বা কণ্ঠস্বর নকল করা সম্ভব হচ্ছে। একে বলা হয় ডিপফেক(Deepfake)। অপরাধীরা এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করছে, যা খালি চোখে চেনা প্রায় অসম্ভব। আপনি যখন কোনো নিউজ বা ছবি ইন্টারনেটে দেখবেন, তখন সেটি সঠিক কি না তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

গুজব চেনার উপায়

একটি খবর গুজব কি না তা বোঝার জন্য কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

  • উদ্ভট হেডলাইন: যদি দেখেন কোনো খবরের শিরোনাম অত্যন্ত নাটকীয় বা অবাস্তব, তবে সেটি নিয়ে সন্দেহ করুন।
  • তথ্যের উৎস: খবরটি কি কোনো নামী সংবাদপত্র বা পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে? যদি শুধু কোনো ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে ছড়ায়, তবে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
  • ছবি বা ভিডিওর তারিখ: অনেক সময় পুরনো ছবিকে বর্তমান সময়ের বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।
  • অফিসিয়াল সোর্স: সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বা ভেরিফাইড পেজে আছে কি না চেক করুন।


বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার অপরাধ দমনে কঠোর আইন রয়েছে। ইন্টারনেটে উস্কানিমূলক তথ্য শেয়ার করা বা কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আইডি নিরাপদ রাখতে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) ব্যবহার করুন এবং অচেনা কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।

পরিশেষে বলা যায়, ইন্টারনেটে আমরা যা দেখি তার সবকিছুই সত্য নয়। একটি সুস্থ ডিজিটাল সমাজ গড়তে আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে। কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে অন্তত একবার ভাবুন—এটি সত্য তো? আপনার একটি ভুল ক্লিক যেন অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ও অপপ্রচার: ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতে করণীয় কী?

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রসারের ফলে আমাদের জীবনযাত্রা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহার জনজীবনে তৈরি করছে নানা বিশৃঙ্খলা। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরণের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। এই ডিজিটাল অপপ্রচার রোধে ব্যক্তিগত সচেতনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা জ্ঞান অর্জন এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, তুচ্ছ কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এডিট করা ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা কিংবা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় থাকে। অনেক সময় না বুঝেই সাধারণ মানুষ এসব তথ্য শেয়ার করে গুজবের অংশীদার হয়ে পড়েন। এর ফলে সমাজে মারামারি, অস্থিরতা এবং অনেক ক্ষেত্রে জানমালের ক্ষতির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়।


বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ব্যবহার করে খুব সহজেই মানুষের চেহারা বা কণ্ঠস্বর নকল করা সম্ভব হচ্ছে। একে বলা হয় ডিপফেক(Deepfake)। অপরাধীরা এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করছে, যা খালি চোখে চেনা প্রায় অসম্ভব। আপনি যখন কোনো নিউজ বা ছবি ইন্টারনেটে দেখবেন, তখন সেটি সঠিক কি না তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

গুজব চেনার উপায়

একটি খবর গুজব কি না তা বোঝার জন্য কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

  • উদ্ভট হেডলাইন: যদি দেখেন কোনো খবরের শিরোনাম অত্যন্ত নাটকীয় বা অবাস্তব, তবে সেটি নিয়ে সন্দেহ করুন।
  • তথ্যের উৎস: খবরটি কি কোনো নামী সংবাদপত্র বা পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে? যদি শুধু কোনো ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে ছড়ায়, তবে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
  • ছবি বা ভিডিওর তারিখ: অনেক সময় পুরনো ছবিকে বর্তমান সময়ের বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।
  • অফিসিয়াল সোর্স: সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বা ভেরিফাইড পেজে আছে কি না চেক করুন।


বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার অপরাধ দমনে কঠোর আইন রয়েছে। ইন্টারনেটে উস্কানিমূলক তথ্য শেয়ার করা বা কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আইডি নিরাপদ রাখতে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) ব্যবহার করুন এবং অচেনা কোনো লিঙ্কে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন।

পরিশেষে বলা যায়, ইন্টারনেটে আমরা যা দেখি তার সবকিছুই সত্য নয়। একটি সুস্থ ডিজিটাল সমাজ গড়তে আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে। কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে অন্তত একবার ভাবুন—এটি সত্য তো? আপনার একটি ভুল ক্লিক যেন অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো