মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.২ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ ছুঁতে পারে: আইএমএফ

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপী এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধের ঘোষণা

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

বাজারে কমানো হলো সোনা ও রুপার দাম, জেনে নিন নতুন দর

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাচ্ছে শনিবার, লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সেপ্টেম্বরে কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম, বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

সোনার দামে ফের নতুন রেকর্ড: ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

মহেশখালীতে ভিড়ল কার্গো, শুরু গ্যাস সরবরাহ: কাটার মুখে তীব্র সংকট

জ্বালানি সংকটের অজুহাতে ঢাকায় অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার

জ্বালানি সংকটের তাপ নিত্যপণ্যে: ভোজ্যতেল ও চিনির বাজারে অস্থিরতা।

জ্বালানি সংকটের তাপ নিত্যপণ্যে: ভোজ্যতেল ও চিনির বাজারে অস্থিরতা।
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রাজধানীতে খুচরা পর্যায়ে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম। তবে সাধারণ ক্রেতারা একে ব্যবসায়ীদের অজুহাত হিসেবে দেখছেন। দ্রব্যমূল্যের এই চরম ঊর্ধ্বগতিতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সোনালি মুরগির। এক বছর আগে যে মুরগি ২৩০-২৬০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা কেজি প্রতি ৩৫০৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামারিরা উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। 

বাজারে প্রায় দুই মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। কোম্পানিগুলো ডিলার পর্যায়ে লিটারে ৩-৪ টাকা বাড়ালেও খুচরা বাজারে খোলা তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। ৫ লিটারের বোতলে আগের চেয়ে বেশি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। একইভাবে খুচরা পর্যায়ে চিনির দামও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


রুই মাছের কেজি এখন ৩৫০-৪০০ টাকা। সীমিত আয়ের মানুষের ভরসা তেলাপিয়া, পাঙাশ ও চাষের কই মাছও এখন ২২০ থেকে ২৮০ টাকার নিচে মিলছে না। গ্রীষ্মকালীন সবজি এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে না আসায় পটল, করলা ও বরবটির কেজি ঠেকেছে ১০০ টাকায়। তবে স্বস্তির খবর হলো—আলু, পেঁয়াজ ও তরমুজের দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম ও সরবরাহ বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ঢাকা কাওরান বাজার এ বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহমান বলেন, সোনালি মুরগির দাম এভাবে বাড়তে আগে কখনো দেখিনি। আয়ের তুলনায় খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের খাবারের তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বাড়াকেই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

বিষয় : জ্বালানি সংকট বাজার দর দ্রব্যমূল্য কারওয়ান বাজার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


জ্বালানি সংকটের তাপ নিত্যপণ্যে: ভোজ্যতেল ও চিনির বাজারে অস্থিরতা।

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জ্বালানি সংকটের প্রভাবে রাজধানীতে খুচরা পর্যায়ে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের দাম। তবে সাধারণ ক্রেতারা একে ব্যবসায়ীদের অজুহাত হিসেবে দেখছেন। দ্রব্যমূল্যের এই চরম ঊর্ধ্বগতিতে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সোনালি মুরগির। এক বছর আগে যে মুরগি ২৩০-২৬০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তা কেজি প্রতি ৩৫০৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামারিরা উৎপাদন কমিয়ে দেওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। 

বাজারে প্রায় দুই মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কম। কোম্পানিগুলো ডিলার পর্যায়ে লিটারে ৩-৪ টাকা বাড়ালেও খুচরা বাজারে খোলা তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। ৫ লিটারের বোতলে আগের চেয়ে বেশি দাম গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। একইভাবে খুচরা পর্যায়ে চিনির দামও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


রুই মাছের কেজি এখন ৩৫০-৪০০ টাকা। সীমিত আয়ের মানুষের ভরসা তেলাপিয়া, পাঙাশ ও চাষের কই মাছও এখন ২২০ থেকে ২৮০ টাকার নিচে মিলছে না। গ্রীষ্মকালীন সবজি এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণে না আসায় পটল, করলা ও বরবটির কেজি ঠেকেছে ১০০ টাকায়। তবে স্বস্তির খবর হলো—আলু, পেঁয়াজ ও তরমুজের দাম কিছুটা কমেছে। চালের দাম ও সরবরাহ বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ঢাকা কাওরান বাজার এ বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুর রহমান বলেন, সোনালি মুরগির দাম এভাবে বাড়তে আগে কখনো দেখিনি। আয়ের তুলনায় খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের খাবারের তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে। জ্বালানি সংকটে পরিবহন ভাড়া বাড়াকেই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো