মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সুনামগঞ্জে নতুন পর্যটন হাতছানি

ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য দোয়ারাবাজারের তালতলা: হাতছানি দিচ্ছে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য দোয়ারাবাজারের তালতলা: হাতছানি দিচ্ছে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
পর্যটনের সম্ভাবনায় দোয়ারাবাজারের তালতলা। ছবি : সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী বাংলাবাজার ইউনিয়নে অবস্থিত তালতলা এলাকাটি এখন ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য। সারি সারি তালগাছ, বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর আর পাখিদের কলকাকলিতে ঘেরা এই জনপদটি ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।

স্থানীয়রা জানান, অসংখ্য তালগাছের উপস্থিতির কারণেই এই জায়গার নাম হয়েছে তালতলা। সেখানে গেলে বাতাসে তালপাতার শোঁ শোঁ শব্দে তৈরি হওয়া এক মায়াবী ও গর্জনময় আবহ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে ভোরের সূর্যোদয় আর গোধূলি বেলার সূর্যাস্ত দেখার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে ভিড় করছেন।

প্রকৃতিপ্রেমীদের আনাগোনা বাড়লেও এলাকাটিতে যাতায়াত ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক হাবিব রোশান বলেন, তালতলাকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো গেলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে এবং সরকারের রাজস্ব বাড়বে। যেহেতু এটি পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র বাঁশতলার কাছাকাছি, তাই পর্যটকদের এখানে টেনে আনা সহজ।


গতকাল শুক্রবার ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ছামির আলী ও জুয়েল আহমদ জানান, তালতলার সৌন্দর্য তাঁদের অবাক করেছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে এটি সুনামগঞ্জের অন্যতম সেরা ভ্রমণ স্পট হতে পারে।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ জানান, তালতলা এলাকাটি নতুনভাবে পরিচিতি পাচ্ছে। তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে আমরা দ্রুতই স্থানটি পরিদর্শনে যাবো।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য দোয়ারাবাজারের তালতলা: হাতছানি দিচ্ছে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী বাংলাবাজার ইউনিয়নে অবস্থিত তালতলা এলাকাটি এখন ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য। সারি সারি তালগাছ, বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর আর পাখিদের কলকাকলিতে ঘেরা এই জনপদটি ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।

স্থানীয়রা জানান, অসংখ্য তালগাছের উপস্থিতির কারণেই এই জায়গার নাম হয়েছে তালতলা। সেখানে গেলে বাতাসে তালপাতার শোঁ শোঁ শব্দে তৈরি হওয়া এক মায়াবী ও গর্জনময় আবহ দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে ভোরের সূর্যোদয় আর গোধূলি বেলার সূর্যাস্ত দেখার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে ভিড় করছেন।

প্রকৃতিপ্রেমীদের আনাগোনা বাড়লেও এলাকাটিতে যাতায়াত ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক হাবিব রোশান বলেন, তালতলাকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো গেলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে এবং সরকারের রাজস্ব বাড়বে। যেহেতু এটি পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র বাঁশতলার কাছাকাছি, তাই পর্যটকদের এখানে টেনে আনা সহজ।


গতকাল শুক্রবার ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ছামির আলী ও জুয়েল আহমদ জানান, তালতলার সৌন্দর্য তাঁদের অবাক করেছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্যোগ নিলে এটি সুনামগঞ্জের অন্যতম সেরা ভ্রমণ স্পট হতে পারে।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ জানান, তালতলা এলাকাটি নতুনভাবে পরিচিতি পাচ্ছে। তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে আমরা দ্রুতই স্থানটি পরিদর্শনে যাবো।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো