মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

অবহেলা নয়, মানসিক সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

অবহেলা নয়, মানসিক সমস্যাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনের নতুন রেকর্ড, গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৩২১ মেগাওয়াট

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদনের নতুন রেকর্ড, গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১৩২১ মেগাওয়াট

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতার চেষ্টা চলছে: ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে অরাজকতার চেষ্টা চলছে: ফেনীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

৮১তম জাতিসংঘ অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি: বাড়িভাড়ার নতুন হার পুনর্নির্ধারণ

নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি: বাড়িভাড়ার নতুন হার পুনর্নির্ধারণ

গার্ড অব অনার শেষে মাঠজুড়ে হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়; বিকেলে গ্রামের বাড়িতে তৃতীয় জানাজা শেষে মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি নেতা

ভোলায় বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন, মানুষের ঢল

ভোলায় বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন, মানুষের ঢল
জানাজার আগে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয় তোফায়েল আহমেদকে। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা তাঁর প্রিয় জন্মভূমি ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সাবেক এই সংসদ সদস্যকে শেষবারের মতো দেখতে ও বিদায় জানাতে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

​জানাজার আগে ভোলার এই কৃতি সন্তানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে বিশেষ হেলিকপ্টার যোগে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে একটি ফ্রিজিং ভ্যানে করে তাঁর মরদেহ জানাজার স্থান ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হলে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

​পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আজ বিকেলেই সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে তোফায়েল আহমেদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মায়ের পাশে এই বর্ষীয়ান রাজনীতিককে দাফন করা হবে।


দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানাবিধ জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও তীব্র শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে জীবনের শেষ আট মাসেরও বেশি সময় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল সোমবার (১ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

​গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী ছিলেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৬৯-এর ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেন।

​পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ৯ বার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং একাধিকবার অত্যন্ত সফলতার সাথে সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম শীর্ষ সদস্য ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে ভোলার আপামর জনতাসহ দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিষয় : তোফায়েল আহমেদ জানাজা ভোলা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ভোলায় বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন, মানুষের ঢল

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা তাঁর প্রিয় জন্মভূমি ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সাবেক এই সংসদ সদস্যকে শেষবারের মতো দেখতে ও বিদায় জানাতে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

​জানাজার আগে ভোলার এই কৃতি সন্তানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে বিশেষ হেলিকপ্টার যোগে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে একটি ফ্রিজিং ভ্যানে করে তাঁর মরদেহ জানাজার স্থান ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হলে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

​পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আজ বিকেলেই সদর উপজেলার কোড়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে তোফায়েল আহমেদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মায়ের পাশে এই বর্ষীয়ান রাজনীতিককে দাফন করা হবে।


দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানাবিধ জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও তীব্র শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর থেকে জীবনের শেষ আট মাসেরও বেশি সময় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল সোমবার (১ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

​গতকাল সোমবার বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী ছিলেন তিনি। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৬৯-এর ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেন।

​পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ৯ বার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং একাধিকবার অত্যন্ত সফলতার সাথে সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম শীর্ষ সদস্য ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে ভোলার আপামর জনতাসহ দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো