মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ব্রেকিং নিউজ: ভারতে বিমান বাহিনীর এএন-৩২ বিমান বিধ্বস্ত!

ভারতের জোরহাট সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণের সময় বিমান বিধ্বস্ত; হতাহতের আশঙ্কা

ভারতের জোরহাট সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণের সময় বিমান বিধ্বস্ত; হতাহতের আশঙ্কা
ভারতের আসামে অবতরণের সময় বিমান বিধ্বস্ত |সংগৃহীত

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে অবতরণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি মাঝারি সারির পরিবহন বিমান বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে আসামের জোরহাটের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে এই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, অবতরণের সময় এএন-৩২ (AN-32) মডেলের বিমানটি রানওয়ে ছুঁয়ে বিমানঘাঁটির চত্বরের মধ্যেই আচমকা বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই পুরো বিমানে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বিমানঘাঁটি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে দ্রুত জরুরি উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার ফাইটারদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঠিক কতজন আরোহী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা— সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এছাড়া ঠিক কী কারণে বিমানটি ল্যান্ডিংয়ের সময় বিধ্বস্ত হলো, তা এখনও রহস্যের আবরণে ঢাকা।

এদিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি নিখুঁতভাবে পর্যালোচনার পর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া সোভিয়েত আমলের নকশাকৃত এই এএন-৩২ বিমানটি মূলত অত্যন্ত দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে সামরিক ও বেসামরিক অপারেশনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।

  • বহন ক্ষমতা: এই বিমানটি সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত ভারী সামরিক পণ্য বা রসদ বহন করতে সক্ষম।

  • যাত্রী ধারণক্ষমতা: এতে একসঙ্গে ৫০ জন সাধারণ যাত্রী অথবা ৪২ জন সশস্ত্র প্যারাট্রুপার যাতায়াত করতে পারেন।

  • ব্যবহার: ভারতের প্রত্যন্ত ও পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহ এবং জরুরি সামরিক যোগাযোগের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী এই মডেলের বিমানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে।


আজকের এই ধ্বংসাত্মক দুর্ঘটনাটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর কপালে নতুন করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। কারণ, এর মাত্র কয়েক মাস আগেই আসামেরই কার্বি আংলং জেলায় একটি অত্যাধুনিক সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30MKI) যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যেখানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুই অভিজ্ঞ পাইলট নিহত হন। সেই শোকের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আসামের মাটিতেই আরেকটি সামরিক বিমান দুর্ঘটনার শিকার হলো।

বিষয় : ভারত আসাম বিমান দুর্ঘটনা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ভারতের জোরহাট সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণের সময় বিমান বিধ্বস্ত; হতাহতের আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে অবতরণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি মাঝারি সারির পরিবহন বিমান বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে আসামের জোরহাটের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে এই বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, অবতরণের সময় এএন-৩২ (AN-32) মডেলের বিমানটি রানওয়ে ছুঁয়ে বিমানঘাঁটির চত্বরের মধ্যেই আচমকা বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই পুরো বিমানে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বিমানঘাঁটি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ও পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে দ্রুত জরুরি উদ্ধারকারী দল ও ফায়ার ফাইটারদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঠিক কতজন আরোহী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা— সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এছাড়া ঠিক কী কারণে বিমানটি ল্যান্ডিংয়ের সময় বিধ্বস্ত হলো, তা এখনও রহস্যের আবরণে ঢাকা।

এদিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি নিখুঁতভাবে পর্যালোচনার পর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া সোভিয়েত আমলের নকশাকৃত এই এএন-৩২ বিমানটি মূলত অত্যন্ত দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে সামরিক ও বেসামরিক অপারেশনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।

  • বহন ক্ষমতা: এই বিমানটি সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ টন পর্যন্ত ভারী সামরিক পণ্য বা রসদ বহন করতে সক্ষম।

  • যাত্রী ধারণক্ষমতা: এতে একসঙ্গে ৫০ জন সাধারণ যাত্রী অথবা ৪২ জন সশস্ত্র প্যারাট্রুপার যাতায়াত করতে পারেন।

  • ব্যবহার: ভারতের প্রত্যন্ত ও পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চলে রসদ সরবরাহ এবং জরুরি সামরিক যোগাযোগের জন্য ভারতীয় বিমান বাহিনী এই মডেলের বিমানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে থাকে।


আজকের এই ধ্বংসাত্মক দুর্ঘটনাটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর কপালে নতুন করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। কারণ, এর মাত্র কয়েক মাস আগেই আসামেরই কার্বি আংলং জেলায় একটি অত্যাধুনিক সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30MKI) যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যেখানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুই অভিজ্ঞ পাইলট নিহত হন। সেই শোকের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আসামের মাটিতেই আরেকটি সামরিক বিমান দুর্ঘটনার শিকার হলো।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো