মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

ফরিদপুরের চকবাজারে উত্তপ্ত পরিস্থিতি; মাপজোখ ছাড়া উচ্ছেদের অভিযোগ ব্যবসায়ীদের

ফরিদপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবসায়ীদের বাধা, অবরুদ্ধ পৌর কর্মকর্তা

ফরিদপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবসায়ীদের বাধা, অবরুদ্ধ পৌর কর্মকর্তা
চকবাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে অবরুদ্ধ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর পৌরসভার উদ্যোগে শহরে ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের চরম বাধার মুখে পড়েছেন পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কর্মকর্তাদের প্রায় আধাঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শহরের চকবাজার অস্থায়ী কাঁচাবাজার এলাকায় এ হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকীর নেতৃত্বে পৌরসভা কার্যালয় এলাকা থেকে মুজিব সড়কে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযান পরিচালনাকালে ফুটপাতে থাকা বিভিন্ন অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এবং পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী মালামাল জব্দ করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরবর্তীতে এই অভিযান শহরের ব্যস্ততম জনতা ব্যাংকের মোড় হয়ে কোতোয়ালি থানা রোড অতিক্রম করে চকবাজার এলাকায় গিয়ে পৌঁছায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চকবাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর ফুটপাতের একাধিক অস্থায়ী স্থাপনা এবং দোকানের বর্ধিত অংশ বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ সেখানকার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তোপের মুখে ফেলেন।

বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা পৌর কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই স্থানীয় আরও লোকজন তাঁদের সাথে যোগ দিলে গোটা চকবাজার এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন অভিযানে আসা পৌর প্রতিনিধিরা। সংবাদ পেয়ে দ্রুত কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

ব্যক্তিগত ও মালিকানাধীন জায়গায় থাকা স্থাপনা অন্যায়ভাবে ভেঙে ফেলার অভিযোগ তুলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, কর্মকর্তারা পৌরসভার জায়গা উদ্ধার করতে এসেছেন, এতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আগে সঠিক মাপজোখ দিতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা বাদ দিয়ে তারপর উচ্ছেদ চালাতে হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির পর ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আপাতত অভিযান স্থগিত রেখেছি। ব্যবসায়ীদের নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য আগামী তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি তারা স্বউদ্যোগে অবৈধ দখল না ছাড়েন, তবে পরবর্তী সময়ে আমরা আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।


উল্লেখ্য, এর আগে গত রবিবার থেকে ফরিদপুর শহরের যানজট নিরসন ও সৌন্দর্যবর্ধনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে চকবাজার এলাকায় একই অভিযান চালানো হলেও, উচ্ছেদ শেষ হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ব্যবসায়ীরা পুনরায় ফুটপাত দখল করে মালামাল সাজিয়ে বসেছিলেন।

বিষয় : ফরিদপুর ঢাকা বিভাগ জেলার খবর অভিযান উচ্ছেদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ফরিদপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবসায়ীদের বাধা, অবরুদ্ধ পৌর কর্মকর্তা

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ফরিদপুর পৌরসভার উদ্যোগে শহরে ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের চরম বাধার মুখে পড়েছেন পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একপর্যায়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কর্মকর্তাদের প্রায় আধাঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শহরের চকবাজার অস্থায়ী কাঁচাবাজার এলাকায় এ হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকীর নেতৃত্বে পৌরসভা কার্যালয় এলাকা থেকে মুজিব সড়কে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযান পরিচালনাকালে ফুটপাতে থাকা বিভিন্ন অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এবং পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী মালামাল জব্দ করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরবর্তীতে এই অভিযান শহরের ব্যস্ততম জনতা ব্যাংকের মোড় হয়ে কোতোয়ালি থানা রোড অতিক্রম করে চকবাজার এলাকায় গিয়ে পৌঁছায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চকবাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর ফুটপাতের একাধিক অস্থায়ী স্থাপনা এবং দোকানের বর্ধিত অংশ বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ সেখানকার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তোপের মুখে ফেলেন।

বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা পৌর কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই স্থানীয় আরও লোকজন তাঁদের সাথে যোগ দিলে গোটা চকবাজার এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন অভিযানে আসা পৌর প্রতিনিধিরা। সংবাদ পেয়ে দ্রুত কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

ব্যক্তিগত ও মালিকানাধীন জায়গায় থাকা স্থাপনা অন্যায়ভাবে ভেঙে ফেলার অভিযোগ তুলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, কর্মকর্তারা পৌরসভার জায়গা উদ্ধার করতে এসেছেন, এতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আগে সঠিক মাপজোখ দিতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা বাদ দিয়ে তারপর উচ্ছেদ চালাতে হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির পর ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আপাতত অভিযান স্থগিত রেখেছি। ব্যবসায়ীদের নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য আগামী তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি তারা স্বউদ্যোগে অবৈধ দখল না ছাড়েন, তবে পরবর্তী সময়ে আমরা আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেব।


উল্লেখ্য, এর আগে গত রবিবার থেকে ফরিদপুর শহরের যানজট নিরসন ও সৌন্দর্যবর্ধনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে চকবাজার এলাকায় একই অভিযান চালানো হলেও, উচ্ছেদ শেষ হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ব্যবসায়ীরা পুনরায় ফুটপাত দখল করে মালামাল সাজিয়ে বসেছিলেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো