মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় এক পল্লি চিকিৎসকের বসতবাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের সদস্যদের সাময়িক অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে চোরের দল ঘরে প্রবেশ করে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের অলঙ্কার ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের অধিবাসী ও স্থানীয় পল্লিচিকিৎসক মামুন আলীর (৩২) বসতবাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মামুন আলী ওই গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় হঠাৎ প্রতিবেশীরা বাড়িতে অস্বাভাবিক চলাফেরা টের পেয়ে এগিয়ে গিয়ে চুরির বিষয়টি দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের মানুষ সেখানে ভিড় জমান।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী পল্লি চিকিৎসক মামুন আলী জানান, স্থানীয় বাজারে তাঁর একটি ওষুধের দোকান রয়েছে এবং তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিদিনের অভ্যাসমতো তাঁর বাবা দোকানে নৈশভোজ পৌঁছে দিতে যান। অন্যদিকে, তাঁর মা খেতের শ্রমিকদের বিষয়ে কাজ করতে পাশের বাড়িতে এবং স্ত্রী নিজস্ব স্বজনের কাছে গিয়েছিলেন। বাড়ি সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকার এই সংক্ষিপ্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে চোরেরা আলমারির লক ভেঙে জমানো স্বর্ণালঙ্কার ও গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।
ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে মামুন বলেন, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কষ্টার্জিত উপার্জনে এসব গুছিয়ে রেখেছিলাম। এক মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু লুটে নিল। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. জহুরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক আলামত পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে চোরের দলটি ছাদ পেরিয়ে ভেতরের সিঁড়ি পথ ব্যবহার করে ঘরে প্রবেশ করেছিল। কারণ সে সময় মূল ফটকে তালা ঝোলানো ছিল।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খবর পেয়েই পুলিশের একটি আভিযানিক দল দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছে। চুরির এই ঘটনার পেছনে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় এক পল্লি চিকিৎসকের বসতবাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের সদস্যদের সাময়িক অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে চোরের দল ঘরে প্রবেশ করে প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের অলঙ্কার ও নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের অধিবাসী ও স্থানীয় পল্লিচিকিৎসক মামুন আলীর (৩২) বসতবাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মামুন আলী ওই গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় হঠাৎ প্রতিবেশীরা বাড়িতে অস্বাভাবিক চলাফেরা টের পেয়ে এগিয়ে গিয়ে চুরির বিষয়টি দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যেই খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের মানুষ সেখানে ভিড় জমান।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে ভুক্তভোগী পল্লি চিকিৎসক মামুন আলী জানান, স্থানীয় বাজারে তাঁর একটি ওষুধের দোকান রয়েছে এবং তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিদিনের অভ্যাসমতো তাঁর বাবা দোকানে নৈশভোজ পৌঁছে দিতে যান। অন্যদিকে, তাঁর মা খেতের শ্রমিকদের বিষয়ে কাজ করতে পাশের বাড়িতে এবং স্ত্রী নিজস্ব স্বজনের কাছে গিয়েছিলেন। বাড়ি সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকার এই সংক্ষিপ্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে চোরেরা আলমারির লক ভেঙে জমানো স্বর্ণালঙ্কার ও গচ্ছিত টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।
ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে মামুন বলেন, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কষ্টার্জিত উপার্জনে এসব গুছিয়ে রেখেছিলাম। এক মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু লুটে নিল। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. জহুরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক আলামত পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে চোরের দলটি ছাদ পেরিয়ে ভেতরের সিঁড়ি পথ ব্যবহার করে ঘরে প্রবেশ করেছিল। কারণ সে সময় মূল ফটকে তালা ঝোলানো ছিল।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খবর পেয়েই পুলিশের একটি আভিযানিক দল দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছে। চুরির এই ঘটনার পেছনে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন