শিশুর চিন্তাশক্তি বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও প্রমিত উচ্চারণে কথা বলার দক্ষতা তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষার স্তরেই শুদ্ধ বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। প্রমিত ভাষার শক্তিই হলো এটি দেশের সব অঞ্চলের মানুষকে একটি একক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে আবদ্ধ করে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আমাই) উদ্যোগে ‘প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলা ভাষার প্রয়োগ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আরিফ-উজ-জামান।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ জোৎস্না খাতুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: আরিফ-উজ-জামান বলেন, প্রাথমিকে শিশুদের যে ভাষার ভিত্তি তৈরি হয়, তা সারাজীবন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত ব্যবহারে প্রভাব ফেলে। তাই শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকদেরই প্রমিত উচ্চারণে পাঠদানের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বইয়ের পাঠ্যভাষা আর দৈনন্দিন কথ্য ভাষার ব্যবধান দূর করতে পারলে শিশুদের জন্য যেকোনো বিষয় বোঝা অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ বলেন, প্রমিত শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণের সঠিক প্রয়োগ শিশুদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। নিজ নিজ অঞ্চলের আঞ্চলিক উপভাষার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বিদ্যালয় ও পরিবারে প্রমিত ভাষার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন।
কর্মশালায় গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরা শিক্ষকদের সঙ্গে প্রমিত প্রথাসিদ্ধ উচ্চারণ ও আধুনিক শিক্ষণপদ্ধতি নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিশুর চিন্তাশক্তি বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও প্রমিত উচ্চারণে কথা বলার দক্ষতা তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষার স্তরেই শুদ্ধ বাংলা ভাষার সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। প্রমিত ভাষার শক্তিই হলো এটি দেশের সব অঞ্চলের মানুষকে একটি একক সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে আবদ্ধ করে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আমাই) উদ্যোগে ‘প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলা ভাষার প্রয়োগ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আরিফ-উজ-জামান।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ জোৎস্না খাতুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: আরিফ-উজ-জামান বলেন, প্রাথমিকে শিশুদের যে ভাষার ভিত্তি তৈরি হয়, তা সারাজীবন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত ব্যবহারে প্রভাব ফেলে। তাই শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকদেরই প্রমিত উচ্চারণে পাঠদানের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বইয়ের পাঠ্যভাষা আর দৈনন্দিন কথ্য ভাষার ব্যবধান দূর করতে পারলে শিশুদের জন্য যেকোনো বিষয় বোঝা অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ বলেন, প্রমিত শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণের সঠিক প্রয়োগ শিশুদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। নিজ নিজ অঞ্চলের আঞ্চলিক উপভাষার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বিদ্যালয় ও পরিবারে প্রমিত ভাষার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন।
কর্মশালায় গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিরা শিক্ষকদের সঙ্গে প্রমিত প্রথাসিদ্ধ উচ্চারণ ও আধুনিক শিক্ষণপদ্ধতি নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন