পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করবে। শনিবার (২১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই পবিত্র ঈদের দিনে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা—যেন একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। সেই লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা পেলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
এর আগে, ঈদের নামাজ আদায়ের পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে যান এবং সেখানে তার বাবা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটাবেন বলে জানা গেছে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতর

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি সুন্দর ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করবে। শনিবার (২১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই পবিত্র ঈদের দিনে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা—যেন একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। সেই লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা পেলে জনগণের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
এর আগে, ঈদের নামাজ আদায়ের পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিক এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে যান এবং সেখানে তার বাবা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সময় কাটাবেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন