মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে নবীনবরণ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, ‘স্বচ্ছতা’ অডিটোরিয়ামে মতবিনিময়

গোপালগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, ‘স্বচ্ছতা’ অডিটোরিয়ামে মতবিনিময়

মুকসুদপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

মুকসুদপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

গোপালগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও মতবিনিময় সভা

গোপালগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও মতবিনিময় সভা

দুই বছর ধরে শিক্ষার্থীশূন্য সিরাজগঞ্জের বওলাতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়

দুই বছর ধরে শিক্ষার্থীশূন্য সিরাজগঞ্জের বওলাতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়

জীবনের সব সঞ্চয়ে মেয়েদের স্কুল, বুরুয়া গ্রামের ‘আলোর দিশারি’ রেখা রানী ওঝা

জীবনের সব সঞ্চয়ে মেয়েদের স্কুল, বুরুয়া গ্রামের ‘আলোর দিশারি’ রেখা রানী ওঝা

পুরোনো নেতৃত্বেই আস্থা বোর্ডের: শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি শেখ নাজিম

পুরোনো নেতৃত্বেই আস্থা বোর্ডের: শেখ আব্দুর রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি শেখ নাজিম

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলার চর্চা জরুরি: গোপালগঞ্জে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলার চর্চা জরুরি: গোপালগঞ্জে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আসছে বড় সংস্কার উদ্যোগ

ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি শেষ করার পরিকল্পনা

ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি শেষ করার পরিকল্পনা

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষা নতুন সময়সূচির মধ্যে আনার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা যাচাইসহ একগুচ্ছ সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে এই দুই পরীক্ষায় বিষয় সংখ্যা কমানোর প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী দশম শ্রেণি শেষ করার পরের বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষাও উচ্চমাধ্যমিক কোর্স শেষের পরের বছরে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে নেওয়া হলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির পর থেকে এই সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে এবং তা পিছিয়ে গেছে।

সভায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

এছাড়া আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও সমস্যা চিহ্নিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নকল ও অনিয়ম প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথাও জানানো হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অতীতে শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে যেভাবে নকল প্রতিরোধ সম্ভব হয়েছিল, ভবিষ্যতেও সেই ধারা বজায় রাখা হবে। বিভাগীয় শহরগুলোতে কেন্দ্র সচিব ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি শেষ করার পরিকল্পনা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষা নতুন সময়সূচির মধ্যে আনার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা যাচাইসহ একগুচ্ছ সংস্কারমূলক উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।


এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে এই দুই পরীক্ষায় বিষয় সংখ্যা কমানোর প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী দশম শ্রেণি শেষ করার পরের বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষাও উচ্চমাধ্যমিক কোর্স শেষের পরের বছরে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে নেওয়া হলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির পর থেকে এই সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে এবং তা পিছিয়ে গেছে।

সভায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

এছাড়া আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি ও সমস্যা চিহ্নিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নকল ও অনিয়ম প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথাও জানানো হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অতীতে শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে যেভাবে নকল প্রতিরোধ সম্ভব হয়েছিল, ভবিষ্যতেও সেই ধারা বজায় রাখা হবে। বিভাগীয় শহরগুলোতে কেন্দ্র সচিব ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো