গোপালগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায়—সদর, মুকসুদপুর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া ও কাশিয়ানী—বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তীব্রতায় জনজীবন এখন দুর্বিষহ। প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। গরমের তীব্রতার মধ্যে এই লোডশেডিং শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে ক্ষুদ্র শিল্প ও কলকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন আইটি খাতের তরুণ ফ্রিল্যান্সাররা। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে সময়মতো কাজ জমা দিতে না পারায় তারা যেমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, তেমনি পেশাগত ক্যারিয়ার নিয়েও শঙ্কায় আছেন।
জেলায় সেচ কার্যক্রম পুরোপুরি বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় কৃষি খাতের ওপরও এই সংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাপক। বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্র চালু রাখা না যাওয়ায় সময়মতো জমিতে পানি দিতে পারছেন না কৃষকরা। জ্বালানি সংকটের কারণে বিকল্প ব্যবস্থাও কঠিন হয়ে পড়ায় আসন্ন ফসল উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে বাড়তি চাপ, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়া এবং স্থানীয় সঞ্চালন ব্যবস্থার ত্রুটিই এই সংকটের প্রধান কারণ। এছাড়া জেলার অনেক এলাকায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুৎ অবকাঠামোর জরাজীর্ণ অবস্থা ঘনঘন বিভ্রাটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা অনতিবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায়—সদর, মুকসুদপুর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া ও কাশিয়ানী—বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তীব্রতায় জনজীবন এখন দুর্বিষহ। প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। গরমের তীব্রতার মধ্যে এই লোডশেডিং শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে ক্ষুদ্র শিল্প ও কলকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন আইটি খাতের তরুণ ফ্রিল্যান্সাররা। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের অভাবে সময়মতো কাজ জমা দিতে না পারায় তারা যেমন আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, তেমনি পেশাগত ক্যারিয়ার নিয়েও শঙ্কায় আছেন।
জেলায় সেচ কার্যক্রম পুরোপুরি বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় কৃষি খাতের ওপরও এই সংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাপক। বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্র চালু রাখা না যাওয়ায় সময়মতো জমিতে পানি দিতে পারছেন না কৃষকরা। জ্বালানি সংকটের কারণে বিকল্প ব্যবস্থাও কঠিন হয়ে পড়ায় আসন্ন ফসল উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে বাড়তি চাপ, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়া এবং স্থানীয় সঞ্চালন ব্যবস্থার ত্রুটিই এই সংকটের প্রধান কারণ। এছাড়া জেলার অনেক এলাকায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুৎ অবকাঠামোর জরাজীর্ণ অবস্থা ঘনঘন বিভ্রাটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা অনতিবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন