মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

২৫ বছর আগের আশাজাগানিয়া সড়কটি এখন চলাচলের অযোগ্য

ভাঙ্গুড়ায় ৪ কিলোমিটার ডুবো সড়ক এখন এলাকাবাসীর গলার কাঁটা

ভাঙ্গুড়ায় ৪ কিলোমিটার ডুবো সড়ক এখন এলাকাবাসীর গলার কাঁটা
ছবি : সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বিশাকোল গ্রামের সেই চার কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমারসিবল বা ডুবো সড়কটি এখন আর মানুষের উপকারে আসছে না। ২০০০ সালে নির্মিত এই সড়কটি দীর্ঘদিনের অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে এখন দুর্ভোগের আরেক নামে পরিণত হয়েছে। চলনবিলবেষ্টিত এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পিচ উঠে গিয়ে সর্বত্র খানাখন্দ আর কাদার স্তূপ। সড়কের মাঝে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে দেবে যাওয়ায় যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙা অংশে জমে থাকা পানিতে কচুরিপানা জন্মেছে, যা সড়কটিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। নেই কোনো সতর্কতামূলক চিহ্ন, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় কৃষক শাজাহান আলী বলেন, সড়কটি ভালো থাকলে ফসল সহজে বাজারে নিতে পারতাম। এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়, এতে পরিবহন খরচ বাড়ে, ফলে লাভের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। সড়কটি এখন আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশাকোল ছাড়াও বাঁশবাড়িয়াসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের শত শত মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু ব্রিজ ভাঙা থাকায় গাড়িচালক আব্দুর রহিম ও অটোরিকশাচালক শুকুর আলীরা জানান, বর্তমানে ৬-৭ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সময় বাধ্য হয়ে অন্যের জমির আইল দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।


এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আমরা ইতিমধ্যে সড়কটি পরিদর্শন করেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই সড়কের মেরামত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

বিষয় : ভাঙ্গুড়া পাবনা ডুবো সড়ক চলনবিল দুর্ভোগ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


ভাঙ্গুড়ায় ৪ কিলোমিটার ডুবো সড়ক এখন এলাকাবাসীর গলার কাঁটা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বিশাকোল গ্রামের সেই চার কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমারসিবল বা ডুবো সড়কটি এখন আর মানুষের উপকারে আসছে না। ২০০০ সালে নির্মিত এই সড়কটি দীর্ঘদিনের অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে এখন দুর্ভোগের আরেক নামে পরিণত হয়েছে। চলনবিলবেষ্টিত এই অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পিচ উঠে গিয়ে সর্বত্র খানাখন্দ আর কাদার স্তূপ। সড়কের মাঝে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে দেবে যাওয়ায় যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙা অংশে জমে থাকা পানিতে কচুরিপানা জন্মেছে, যা সড়কটিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। নেই কোনো সতর্কতামূলক চিহ্ন, ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় কৃষক শাজাহান আলী বলেন, সড়কটি ভালো থাকলে ফসল সহজে বাজারে নিতে পারতাম। এখন অনেক দূর ঘুরে যেতে হয়, এতে পরিবহন খরচ বাড়ে, ফলে লাভের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। সড়কটি এখন আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশাকোল ছাড়াও বাঁশবাড়িয়াসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের শত শত মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীরা এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু ব্রিজ ভাঙা থাকায় গাড়িচালক আব্দুর রহিম ও অটোরিকশাচালক শুকুর আলীরা জানান, বর্তমানে ৬-৭ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেক সময় বাধ্য হয়ে অন্যের জমির আইল দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে, যা যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।


এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আমরা ইতিমধ্যে সড়কটি পরিদর্শন করেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই সড়কের মেরামত কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো