বাংলাদেশের টেলিভিশনের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘস্থায়ী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এই অনুষ্ঠানের প্রাণপুরুষ হানিফ সংকেতকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলা এই কিংবদন্তি এবার ভূষিত হলেন দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক জমকালো আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। এর আগে গত ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।
হানিফ সংকেত মানেই নতুন কিছু। উপস্থাপনা থেকে পরিচালনা, লেখালেখি কিংবা সুর—সব ক্ষেত্রেই তিনি মুন্সিয়ানার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প শুনিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সামাজিক অসংগতিগুলোকে মার্জিত ও তীক্ষ্ণ হাস্যরসে তুলে ধরাই তার বিশেষত্ব, যা তাকে কোটি মানুষের হৃদয়ের মানুষে পরিণত করেছে।
কেবল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের নির্মাতা হিসেবেই নয়, অভিনয় জগতেও তিনি ছিলেন বৈচিত্র্যময়। কিংবদন্তি হুমায়ূন আহমেদের কুসুম নাটক কিংবা আশির দশকে আগমন, ঢাকা-৮৬-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন, সৃজনশীলতার কোনো সীমানা নেই।
দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে নানা পুরস্কার পেলেও, এবারের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল। তার এই প্রাপ্তিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রশংসায় ভাসছেন এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের টেলিভিশনের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘস্থায়ী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এই অনুষ্ঠানের প্রাণপুরুষ হানিফ সংকেতকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলা এই কিংবদন্তি এবার ভূষিত হলেন দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এ।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক জমকালো আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। এর আগে গত ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।
হানিফ সংকেত মানেই নতুন কিছু। উপস্থাপনা থেকে পরিচালনা, লেখালেখি কিংবা সুর—সব ক্ষেত্রেই তিনি মুন্সিয়ানার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প শুনিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সামাজিক অসংগতিগুলোকে মার্জিত ও তীক্ষ্ণ হাস্যরসে তুলে ধরাই তার বিশেষত্ব, যা তাকে কোটি মানুষের হৃদয়ের মানুষে পরিণত করেছে।
কেবল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের নির্মাতা হিসেবেই নয়, অভিনয় জগতেও তিনি ছিলেন বৈচিত্র্যময়। কিংবদন্তি হুমায়ূন আহমেদের কুসুম নাটক কিংবা আশির দশকে আগমন, ঢাকা-৮৬-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন, সৃজনশীলতার কোনো সীমানা নেই।
দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে নানা পুরস্কার পেলেও, এবারের এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল। তার এই প্রাপ্তিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রশংসায় ভাসছেন এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব।

আপনার মতামত লিখুন