স্বচ্ছ নীল জল আর দুই পাহাড়ের মাঝে বয়ে চলা মায়াবী এক জলপথের নাম খুমে। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি সীমান্তের এই পয়েন্টটি বর্তমানে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক নতুন স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর একদিকে বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির তবলছড়ি, আর অন্যদিকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য—দুই দেশের এই সীমান্তঘেষা অবস্থান খুমের সৌন্দর্যকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।
খুমে পয়েন্টের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর শান্ত ও টলটলে স্বচ্ছ পানি। দুই পাশে খাড়া পাহাড় আর ঘন বনের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা এই জলপথে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। এখানে দাঁড়িয়ে একদিকে বাংলাদেশের পাহাড় আর অন্যদিকে ভারতের ত্রিপুরার সীমান্ত রেখা দেখার সুযোগ মেলে। প্রকৃতির নির্জনতা আর পাখির কিচিরমিচির শব্দে এখানে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত পর্যটকদের মনে এক দীর্ঘস্থায়ী প্রশান্তি জোগায়।
যারা একটু ভিন্নধর্মী অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন, তাদের জন্য তবলছড়ির এই খুমে পয়েন্ট সেরা গন্তব্য। ট্র্যাকিং করে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এই পয়েন্টে পৌঁছানোর পথটি যেমন রোমাঞ্চকর, নৌকায় চড়ে স্বচ্ছ জলের ওপর দিয়ে সীমান্ত ভ্রমণ ততটাই শিহরণ জাগানিয়া। তবে সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু নিরাপত্তা সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন।
ভ্রমণকারীদের জন্য কিছু জরুরি টিপস:
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে চড়ে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ডাকবাংলো পর্যন্ত যেতে হবে। সেখান থেকে আপনি বড় পাড়া টিপরাপল্লিতে চলে যাবেন। পুরো পথটিতে প্রকৃতির নানা রূপ দেখার সুযোগ মিলবে।
পুরো ভ্রমণের জন্য স্থানীয় অভিজ্ঞ কাউকে পথপ্রদর্শক হিসেবে সঙ্গে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে পথ হারানোর ভয় থাকে না এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। তবে আগে থেকেই তাঁর পারিশ্রমিক ঠিক করে রাখুন। খুমের সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে অবশ্যই প্রকৃতির কোনো ক্ষতি করবেন না এবং কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য বা ময়লা ফেলবেন না।
পথ অনেক দীর্ঘ হতে পারে, তাই সাথে শুকনা খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি রাখুন। রাতের বেলা থাকতে চাইলে যামিনীপাড়ায় কারও বাড়িতে বা নিজেদের তাঁবুতে থাকতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
স্বচ্ছ নীল জল আর দুই পাহাড়ের মাঝে বয়ে চলা মায়াবী এক জলপথের নাম খুমে। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি সীমান্তের এই পয়েন্টটি বর্তমানে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক নতুন স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর একদিকে বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির তবলছড়ি, আর অন্যদিকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য—দুই দেশের এই সীমান্তঘেষা অবস্থান খুমের সৌন্দর্যকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।
খুমে পয়েন্টের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর শান্ত ও টলটলে স্বচ্ছ পানি। দুই পাশে খাড়া পাহাড় আর ঘন বনের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা এই জলপথে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। এখানে দাঁড়িয়ে একদিকে বাংলাদেশের পাহাড় আর অন্যদিকে ভারতের ত্রিপুরার সীমান্ত রেখা দেখার সুযোগ মেলে। প্রকৃতির নির্জনতা আর পাখির কিচিরমিচির শব্দে এখানে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত পর্যটকদের মনে এক দীর্ঘস্থায়ী প্রশান্তি জোগায়।
যারা একটু ভিন্নধর্মী অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন, তাদের জন্য তবলছড়ির এই খুমে পয়েন্ট সেরা গন্তব্য। ট্র্যাকিং করে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এই পয়েন্টে পৌঁছানোর পথটি যেমন রোমাঞ্চকর, নৌকায় চড়ে স্বচ্ছ জলের ওপর দিয়ে সীমান্ত ভ্রমণ ততটাই শিহরণ জাগানিয়া। তবে সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু নিরাপত্তা সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন।
ভ্রমণকারীদের জন্য কিছু জরুরি টিপস:
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে চড়ে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ডাকবাংলো পর্যন্ত যেতে হবে। সেখান থেকে আপনি বড় পাড়া টিপরাপল্লিতে চলে যাবেন। পুরো পথটিতে প্রকৃতির নানা রূপ দেখার সুযোগ মিলবে।
পুরো ভ্রমণের জন্য স্থানীয় অভিজ্ঞ কাউকে পথপ্রদর্শক হিসেবে সঙ্গে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে পথ হারানোর ভয় থাকে না এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। তবে আগে থেকেই তাঁর পারিশ্রমিক ঠিক করে রাখুন। খুমের সৌন্দর্য দেখতে গিয়ে অবশ্যই প্রকৃতির কোনো ক্ষতি করবেন না এবং কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য বা ময়লা ফেলবেন না।
পথ অনেক দীর্ঘ হতে পারে, তাই সাথে শুকনা খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি রাখুন। রাতের বেলা থাকতে চাইলে যামিনীপাড়ায় কারও বাড়িতে বা নিজেদের তাঁবুতে থাকতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন