মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

কাজিপুরে ৪৪০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ

কাজিপুরের চরাঞ্চলে লাল সোনার বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

কাজিপুরের চরাঞ্চলে লাল সোনার বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক
ছবি : সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে এ বছর লাল সোনা খ্যাত শুকনা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। চরের উর্বর পলিমাটিতে উৎপাদিত এই ফসলের ভালো দাম পেয়ে চাষিদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

কাজিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিই যমুনা নদীর চরে অবস্থিত। এক সময় এসব ধু-ধু বালুচরে ফসল না হওয়ায় অভাব-অনটন লেগেই থাকত। তবে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নদীর নতুন পলিমাটি এখন চরবাসীর জন্য আশীর্বাদে পরিণত হয়েছে। যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব মানুষগুলো এখন এই পলিমাটিতে সোনালি ফসল ফলিয়ে তাদের জীবনমান উন্নত করছেন।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বছর উপজেলায় মোট ৪৪০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে, যার ৭০ শতাংশই হয়েছে যমুনার চরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নে। বন্যায় পানি নেমে যাওয়ার পরপরই কৃষকরা মরিচ চাষ শুরু করেন। অধিক ফলনের জন্য এবার স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস ও বালিজুরি জাতের মরিচ চাষ করা হয়েছে।


নাটুয়াপাড়া গ্রামের চাষি সাইদুল ইসলাম জানান, ১ বিঘা জমিতে ২৫ হাজার টাকা খরচ করে তিনি ৬০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ভেটুয়া চর এলাকার কৃষক ময়নাল হোসেন জানান, এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে তিনি প্রায় ১ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও নতুন পলিমাটির উর্বরতায় কাজিপুরের চরাঞ্চল এখন মরিচ চাষের এক উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কাজিপুরের চরাঞ্চলে লাল সোনার বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে এ বছর লাল সোনা খ্যাত শুকনা মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। চরের উর্বর পলিমাটিতে উৎপাদিত এই ফসলের ভালো দাম পেয়ে চাষিদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

কাজিপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিই যমুনা নদীর চরে অবস্থিত। এক সময় এসব ধু-ধু বালুচরে ফসল না হওয়ায় অভাব-অনটন লেগেই থাকত। তবে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নদীর নতুন পলিমাটি এখন চরবাসীর জন্য আশীর্বাদে পরিণত হয়েছে। যমুনার ভাঙনে নিঃস্ব মানুষগুলো এখন এই পলিমাটিতে সোনালি ফসল ফলিয়ে তাদের জীবনমান উন্নত করছেন।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বছর উপজেলায় মোট ৪৪০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে, যার ৭০ শতাংশই হয়েছে যমুনার চরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নে। বন্যায় পানি নেমে যাওয়ার পরপরই কৃষকরা মরিচ চাষ শুরু করেন। অধিক ফলনের জন্য এবার স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস ও বালিজুরি জাতের মরিচ চাষ করা হয়েছে।


নাটুয়াপাড়া গ্রামের চাষি সাইদুল ইসলাম জানান, ১ বিঘা জমিতে ২৫ হাজার টাকা খরচ করে তিনি ৬০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচ ৫৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ভেটুয়া চর এলাকার কৃষক ময়নাল হোসেন জানান, এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে তিনি প্রায় ১ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও নতুন পলিমাটির উর্বরতায় কাজিপুরের চরাঞ্চল এখন মরিচ চাষের এক উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো