মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

পাহাড়ি ঢল ও বাঁধ ভাঙা পানিতে ১১ হাজার হেক্টর বোরো ধান নিমজ্জিত

হবিগঞ্জে পাহাড়ী ঢল ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: বিপাকে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক

হবিগঞ্জে পাহাড়ী ঢল ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: বিপাকে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক
ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে প্রকৃতির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। টানা বৃষ্টিপাত, কালবৈশাখী ঝড় এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলায় প্রায় ৩৪০ কোটি টাকার ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে সারা বছরের খোরাকি বোরো ধান হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আকস্মিক এই বন্যায় প্রায় ১১ হাজার হেক্টরের বেশি জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক দীপক কুমার পাল জানান, অনেক জমির ধান সম্পূর্ণ পচে নষ্ট হয়ে গেছে এবং কিছু জায়গায় আংশিক ক্ষতি হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল। এর মধ্যে ৬২ শতাংশ ধান ঘরে তোলা সম্ভব হলেও বাকি অংশের বড় একটি অংশ এখন পানির নিচে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাই, নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার হাওরাঞ্চল। বিশেষ করে বানিয়াচং উপজেলার খোয়াই নদীর বাঁধ এবং বাহুবল উপজেলার করাঙ্গী নদীর বাঁধ ভেঙে নতুন করে পানি লোকালয় ও ফসলি জমিতে প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।


সরেজমিনে হাওরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, দিগন্তজোড়া ফসলি জমি এখন অথৈ পানির নিচে। কৃষকেরা নৌকা নিয়ে পানির নিচ থেকে আধপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছেন, তবে তার বেশির ভাগই গবাদি পশুর খাদ্য ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না। স্থানীয় কৃষকদের মতে, বোরো ধানই তাদের বছরের একমাত্র ফসল। এই ফসল হারিয়ে তারা এখন চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন।

কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২১ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা এই তালিকার চেয়ে অনেক বেশি। তারা দ্রুত সরকারি সাহায্য এবং কৃষি ঋণ মওকুফের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


হবিগঞ্জে পাহাড়ী ঢল ও ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: বিপাকে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে প্রকৃতির তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন। টানা বৃষ্টিপাত, কালবৈশাখী ঝড় এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলায় প্রায় ৩৪০ কোটি টাকার ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে সারা বছরের খোরাকি বোরো ধান হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আকস্মিক এই বন্যায় প্রায় ১১ হাজার হেক্টরের বেশি জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক দীপক কুমার পাল জানান, অনেক জমির ধান সম্পূর্ণ পচে নষ্ট হয়ে গেছে এবং কিছু জায়গায় আংশিক ক্ষতি হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল। এর মধ্যে ৬২ শতাংশ ধান ঘরে তোলা সম্ভব হলেও বাকি অংশের বড় একটি অংশ এখন পানির নিচে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাই, নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার হাওরাঞ্চল। বিশেষ করে বানিয়াচং উপজেলার খোয়াই নদীর বাঁধ এবং বাহুবল উপজেলার করাঙ্গী নদীর বাঁধ ভেঙে নতুন করে পানি লোকালয় ও ফসলি জমিতে প্রবেশ করায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।


সরেজমিনে হাওরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, দিগন্তজোড়া ফসলি জমি এখন অথৈ পানির নিচে। কৃষকেরা নৌকা নিয়ে পানির নিচ থেকে আধপাকা ধান কাটার চেষ্টা করছেন, তবে তার বেশির ভাগই গবাদি পশুর খাদ্য ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না। স্থানীয় কৃষকদের মতে, বোরো ধানই তাদের বছরের একমাত্র ফসল। এই ফসল হারিয়ে তারা এখন চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন।

কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২১ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা এই তালিকার চেয়ে অনেক বেশি। তারা দ্রুত সরকারি সাহায্য এবং কৃষি ঋণ মওকুফের দাবি জানিয়েছেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো