বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ইসলামিক মাসআলা বা ধর্মীয় বিষয়ে জেনে আমল করা যাবে কি না, এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরের ওপর সরাসরি নির্ভর করা যাবে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চ্যাটজিপিটি মূলত অনলাইনে যা পায়, সেখান থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের সামনে উত্তর হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু অনলাইনে যে সমস্ত তথ্য বা কনটেন্ট রয়েছে, তার সবকিছু কিন্তু সঠিক বা নির্ভুল নয়।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, চ্যাটজিপিটি বা এআই (AI) প্রযুক্তির যে সমস্ত টুল রয়েছে, তা ব্যবহার করে শরিয়তের সূক্ষ্ম প্রশ্নগুলোর উত্তর—বিশেষ করে হালাল-হারাম, ঈমান ও আকিদার মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে সরাসরি আমল না করাই ভালো। কারণ চ্যাটজিপিটি থেকে অনেক সময় সঠিক তথ্যের পাশাপাশি মারাত্মক ভুল তথ্যও পাওয়া যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অ্যাপসগুলো সবসময় শতভাগ সঠিক উত্তর দিতে পারে না। অনলাইনে থাকা সব রকমের ভালো-মন্দ তথ্যের সংমিশ্রণে তারা ফলাফল দেখায়। তাই কেউ যদি চ্যাটজিপিটি থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করে, তবে যেকোনো সময় ভুল সিদ্ধান্ত বা বিভ্রান্তির শিকার হওয়ার বড় আশঙ্কা থেকে যায়।
ভুল এড়াতে শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শ :
শায়খ আহমাদুল্লাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, কোরআন এবং হাদিস ভিত্তিক ইসলামিক জ্ঞান কিন্তু আমাদের দ্বীনের অংশ। এটি আমাদের ধর্মের মূল ভিত্তি। তাই এই দ্বীনি জ্ঞান আমরা কোন উৎস বা কার কাছ থেকে গ্রহণ করছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেকোনো ভুল তথ্য মানুষের ঈমান ও আমলকে নষ্ট করে দিতে পারে বিধায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মুসলমানদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিষয় : শায়খ আহমাদুল্লাহ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ইসলামিক মাসআলা বা ধর্মীয় বিষয়ে জেনে আমল করা যাবে কি না, এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও পরামর্শ দিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরের ওপর সরাসরি নির্ভর করা যাবে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চ্যাটজিপিটি মূলত অনলাইনে যা পায়, সেখান থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে মানুষের সামনে উত্তর হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু অনলাইনে যে সমস্ত তথ্য বা কনটেন্ট রয়েছে, তার সবকিছু কিন্তু সঠিক বা নির্ভুল নয়।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, চ্যাটজিপিটি বা এআই (AI) প্রযুক্তির যে সমস্ত টুল রয়েছে, তা ব্যবহার করে শরিয়তের সূক্ষ্ম প্রশ্নগুলোর উত্তর—বিশেষ করে হালাল-হারাম, ঈমান ও আকিদার মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে সরাসরি আমল না করাই ভালো। কারণ চ্যাটজিপিটি থেকে অনেক সময় সঠিক তথ্যের পাশাপাশি মারাত্মক ভুল তথ্যও পাওয়া যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এই জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অ্যাপসগুলো সবসময় শতভাগ সঠিক উত্তর দিতে পারে না। অনলাইনে থাকা সব রকমের ভালো-মন্দ তথ্যের সংমিশ্রণে তারা ফলাফল দেখায়। তাই কেউ যদি চ্যাটজিপিটি থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করে, তবে যেকোনো সময় ভুল সিদ্ধান্ত বা বিভ্রান্তির শিকার হওয়ার বড় আশঙ্কা থেকে যায়।
ভুল এড়াতে শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শ :
শায়খ আহমাদুল্লাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, কোরআন এবং হাদিস ভিত্তিক ইসলামিক জ্ঞান কিন্তু আমাদের দ্বীনের অংশ। এটি আমাদের ধর্মের মূল ভিত্তি। তাই এই দ্বীনি জ্ঞান আমরা কোন উৎস বা কার কাছ থেকে গ্রহণ করছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেকোনো ভুল তথ্য মানুষের ঈমান ও আমলকে নষ্ট করে দিতে পারে বিধায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মুসলমানদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন