গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে আজ বুধবার (২০ মে) শুরু হয়েছে শত বছরের প্রাচীন লোক-ঐতিহ্যের স্মারক বুড়ির মার গাছতলার মেলা। যুগ যুগ ধরে প্রতিবছর ঠিক এই নির্দিষ্ট দিনটিতেই—অর্থাৎ বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম বুধবারে—কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনের এই মেলাটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে কৃষ্ণাদিয়া গ্রামসহ পুরো মুকসুদপুর উপজেলায় এক উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছে।
এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হলো বুড়ির মা তথা আদিশক্তি নিরাকার দেবী দুর্গার বিশেষ পূজা-অর্চনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, হাজার বছর ধরে এই প্রাচীন গাছতলায় ভক্তরা মানত করে ও পূজা দিয়ে নিজেদের মনোবাসনা পূরণ করে আসছেন। মেলা উপলক্ষে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থী ও ভক্তদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।
শত বছরের পুরোনো এই উৎসবের অন্যতম মানবিক ও মহতি দিক হলো—মেলায় আগত সকল দর্শনার্থী, শরণার্থী এবং ভক্তবৃন্দের জন্য দিনব্যাপী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাবার (মহাপ্রসাদ) পরিবেশন করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ একই সারিতে বসে এই অন্ন গ্রহণ করছেন, যা সমাজ ও মানুষের মাঝে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেছে।
আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় সুধীজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই দেবীর চরণে অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী মাটির খেলনা, তৈজসপত্র, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন কুটির শিল্প সামগ্রী এবং হরেক রকমের মিষ্টি ও লোকজ খাবারের দোকানপাটের পসরা বসেছে। মেলাটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে আজ বুধবার (২০ মে) শুরু হয়েছে শত বছরের প্রাচীন লোক-ঐতিহ্যের স্মারক বুড়ির মার গাছতলার মেলা। যুগ যুগ ধরে প্রতিবছর ঠিক এই নির্দিষ্ট দিনটিতেই—অর্থাৎ বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম বুধবারে—কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনের এই মেলাটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে কৃষ্ণাদিয়া গ্রামসহ পুরো মুকসুদপুর উপজেলায় এক উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছে।
এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হলো বুড়ির মা তথা আদিশক্তি নিরাকার দেবী দুর্গার বিশেষ পূজা-অর্চনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, হাজার বছর ধরে এই প্রাচীন গাছতলায় ভক্তরা মানত করে ও পূজা দিয়ে নিজেদের মনোবাসনা পূরণ করে আসছেন। মেলা উপলক্ষে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থী ও ভক্তদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।
শত বছরের পুরোনো এই উৎসবের অন্যতম মানবিক ও মহতি দিক হলো—মেলায় আগত সকল দর্শনার্থী, শরণার্থী এবং ভক্তবৃন্দের জন্য দিনব্যাপী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাবার (মহাপ্রসাদ) পরিবেশন করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ একই সারিতে বসে এই অন্ন গ্রহণ করছেন, যা সমাজ ও মানুষের মাঝে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেছে।
আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় সুধীজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই দেবীর চরণে অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী মাটির খেলনা, তৈজসপত্র, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন কুটির শিল্প সামগ্রী এবং হরেক রকমের মিষ্টি ও লোকজ খাবারের দোকানপাটের পসরা বসেছে। মেলাটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন