মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : বুধবার, ২০ মে ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

শত বছরের লোকসংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন

শত বছরের ঐতিহ্য: মুকসুদপুরের কৃষ্ণাদিয়ায় বুড়ির মার গাছতলার মেলা

শত বছরের ঐতিহ্য: মুকসুদপুরের কৃষ্ণাদিয়ায় বুড়ির মার গাছতলার মেলা
ছবি : দৈনিক নতুন আলো

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে আজ বুধবার (২০ মে)  শুরু হয়েছে শত বছরের প্রাচীন লোক-ঐতিহ্যের স্মারক বুড়ির মার গাছতলার মেলা। যুগ যুগ ধরে প্রতিবছর ঠিক এই নির্দিষ্ট দিনটিতেই—অর্থাৎ বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম বুধবারে—কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনের এই মেলাটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে কৃষ্ণাদিয়া গ্রামসহ পুরো মুকসুদপুর উপজেলায় এক উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছে।

এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হলো বুড়ির মা তথা আদিশক্তি নিরাকার দেবী দুর্গার বিশেষ পূজা-অর্চনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, হাজার বছর ধরে এই প্রাচীন গাছতলায় ভক্তরা মানত করে ও পূজা দিয়ে নিজেদের মনোবাসনা পূরণ করে আসছেন। মেলা উপলক্ষে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থী ও ভক্তদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।

শত বছরের পুরোনো এই উৎসবের অন্যতম মানবিক ও মহতি দিক হলো—মেলায় আগত সকল দর্শনার্থী, শরণার্থী এবং ভক্তবৃন্দের জন্য দিনব্যাপী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাবার (মহাপ্রসাদ) পরিবেশন করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ একই সারিতে বসে এই অন্ন গ্রহণ করছেন, যা সমাজ ও মানুষের মাঝে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেছে।


আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় সুধীজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই দেবীর চরণে অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী মাটির খেলনা, তৈজসপত্র, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন কুটির শিল্প সামগ্রী এবং হরেক রকমের মিষ্টি ও লোকজ খাবারের দোকানপাটের পসরা বসেছে। মেলাটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


শত বছরের ঐতিহ্য: মুকসুদপুরের কৃষ্ণাদিয়ায় বুড়ির মার গাছতলার মেলা

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে আজ বুধবার (২০ মে)  শুরু হয়েছে শত বছরের প্রাচীন লোক-ঐতিহ্যের স্মারক বুড়ির মার গাছতলার মেলা। যুগ যুগ ধরে প্রতিবছর ঠিক এই নির্দিষ্ট দিনটিতেই—অর্থাৎ বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম বুধবারে—কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মিলনের এই মেলাটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে কৃষ্ণাদিয়া গ্রামসহ পুরো মুকসুদপুর উপজেলায় এক উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছে।

এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু হলো বুড়ির মা তথা আদিশক্তি নিরাকার দেবী দুর্গার বিশেষ পূজা-অর্চনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, হাজার বছর ধরে এই প্রাচীন গাছতলায় ভক্তরা মানত করে ও পূজা দিয়ে নিজেদের মনোবাসনা পূরণ করে আসছেন। মেলা উপলক্ষে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থী ও ভক্তদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।

শত বছরের পুরোনো এই উৎসবের অন্যতম মানবিক ও মহতি দিক হলো—মেলায় আগত সকল দর্শনার্থী, শরণার্থী এবং ভক্তবৃন্দের জন্য দিনব্যাপী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাবার (মহাপ্রসাদ) পরিবেশন করা হয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ একই সারিতে বসে এই অন্ন গ্রহণ করছেন, যা সমাজ ও মানুষের মাঝে এক অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেছে।


আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় সুধীজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই দেবীর চরণে অঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে মেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী মাটির খেলনা, তৈজসপত্র, বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন কুটির শিল্প সামগ্রী এবং হরেক রকমের মিষ্টি ও লোকজ খাবারের দোকানপাটের পসরা বসেছে। মেলাটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো