আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে ঈদের দিন সকালে আবহাওয়া কোনো কারণে প্রতিকূল বা বৈরী থাকলে এই প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্থানান্তরিত করা হবে।
গতকাল বুধবার (২০ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহা উদযাপন সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চূড়ান্তভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে।
আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই পবিত্র উৎসবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। এর আগে ঈদের দিন সকালে সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদগাহ ও মসজিদে দুই রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন।
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রধান জামাত ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রতিবছরের মতো এবারও এই জামাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন।
প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঈদগাহ ও আশেপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আর্চওয়ে গেট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে পুরো এলাকা সুরক্ষিত রাখা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতিমধ্যে প্যান্ডেল নির্মাণ, ফ্যান ও ওযুখানা প্রস্তুত করার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে ঈদের দিন সকালে আবহাওয়া কোনো কারণে প্রতিকূল বা বৈরী থাকলে এই প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্থানান্তরিত করা হবে।
গতকাল বুধবার (২০ মে) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহা উদযাপন সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চূড়ান্তভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভার সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে।
আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই পবিত্র উৎসবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। এর আগে ঈদের দিন সকালে সবাই উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদগাহ ও মসজিদে দুই রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন।
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রধান জামাত ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রতিবছরের মতো এবারও এই জামাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন।
প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঈদগাহ ও আশেপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আর্চওয়ে গেট এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নজরদারির মাধ্যমে পুরো এলাকা সুরক্ষিত রাখা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ইতিমধ্যে প্যান্ডেল নির্মাণ, ফ্যান ও ওযুখানা প্রস্তুত করার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন